মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের, পোকাধরা ও দুর্গন্ধযুক্ত চাল বিতরণের ঘটনায় সুবিধাভোগীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শ্রীমঙ্গল উপজেলায় ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ৯টি ইউনিয়নের জন্য ১৭৮ দশমিক ৭৪০ মেট্রিক টন এবং পৌরসভার জন্য ৪৬ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার ভুনবীর ইউনিয়নে বিতরণের জন্য আনা সরকারি চালের বস্তা খোলার পর দেখা যায়, চালগুলো লালচে রঙের, পোকাধরা এবং তীব্র দুর্গন্ধযুক্ত। উপকারভোগীদের অভিযোগ, এসব চাল দীর্ঘদিনের পুরোনো এবং কোনোভাবেই মানুষের খাওয়ার উপযোগী নয়।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে ইতোমধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়েছে। বাকি ইউনিয়নগুলোতেও একই ধরনের চাল সরবরাহের খবর ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
ক্ষোভ প্রকাশ করে কয়েকজন সুবিধাভোগী বলেন, ‘এমন পঁচা চাল দেওয়ার চেয়ে না দেওয়াই ভালো ছিল। এসব চাল খেলে উপকারের বদলে মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়বে।’
এ বিষয়ে মো. জিয়াউল রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে কথা বলে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে। যেসব ইউনিয়নে এখনও চাল বিতরণ হয়নি, সেসব ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা চাইলে খাদ্যগুদামে গিয়ে চাল যাচাই করে পরিবর্তন করে নতুন চাল নিয়ে আসতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, নিয়ম অনুযায়ী বিতরণকারী প্রতিনিধিদের আগেই খাদ্যগুদামে গিয়ে চালের মান পরীক্ষা করার কথা।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন