× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ১০:৪৮ এএম

১৬ মৌজায় নেই সীমানা পিলার, বাড়ছে জমি বিরোধ

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২৬, ১০:৪৮ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বি.এস. (বাংলাদেশ সার্ভে) জরিপ কার্যক্রম শেষ হয়েছে প্রায় দুই দশক আগে। প্রকাশিত হয়েছে নতুন খতিয়ান ও জমির মানচিত্র। তবে জরিপের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ ত্রি-সীমানা (মৌজা) পিলার স্থাপন না হওয়ায় এখনো ভোগান্তিতে রয়েছেন ভূমির মালিকরা। এর ফলে জমির সীমানা নির্ধারণ ও পরিমাপ নিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে নানা জটিলতা, বাড়ছে জমি-সংক্রান্ত বিরোধও।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০০৬-০৭ সালে উপজেলার ১৬টি মৌজায় পরিচালিত বি.এস. জরিপের সময় প্রয়োজনীয় ত্রি-সীমানা পিলার স্থাপন ছাড়াই জরিপকাজ সম্পন্ন করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী একটি মৌজায় পাঁচ থেকে সাতটি ত্রি-সীমানা পিলার থাকার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে একটি পিলারেরও অস্তিত্ব নেই।

বনগাঁও, ভোলাপাড়া ও মহেষপুরসহ বিভিন্ন মৌজার বাসিন্দারা জানান, পিলার না থাকায় জমির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণে দীর্ঘ সময় লাগে। অনেক ক্ষেত্রে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়, যা আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

বনগাঁও মৌজার কৃষক শরিফুল ইসলাম ও ফারুক আহামেদ বলেন, ত্রি-সীমানা পিলার না থাকায় জমি মাপজোক করতে গিয়ে প্রায়ই সমস্যার মুখে পড়তে হয়। এতে সময় ও অর্থ দুটোরই অপচয় হচ্ছে।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬-০৭ সালে উপজেলার ১৬টি মৌজায় একযোগে বি.এস. জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং পরে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রকাশ করা হয়।

স্থানীয় কৃষক এনামুল হক বলেন, ‘মৌজা পিলার না থাকায় সঠিকভাবে জমি পরিমাপ করা সম্ভব হয় না। যে কাজ একদিনে হওয়ার কথা, তা অনেক সময় দুই থেকে তিন দিন লেগে যায়।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সেটেলমেন্ট অফিসের এক কর্মচারী জানান, জরিপকাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদে অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পিলার স্থাপন করা হয়নি। বাস্তবে অধিকাংশ মৌজাতেই ত্রি-সীমানা পিলারের অস্তিত্ব নেই।

ক্ষোভ প্রকাশ করে কৃষক মতিউর রহমান বলেন, ‘সেটেলমেন্ট অফিসের গাফিলতির কারণে সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান প্রয়োজন।’

স্থানীয় ভূমি জরিপকারকেরা জানান, ত্রি-সীমানা পিলার না থাকায় জমির সঠিক সীমানা নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ফলে ভূমি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিও কঠিন হয়ে পড়ছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা আইয়ুব আলী বলেন, কাগজে-কলমে ত্রি-সীমানা পিলার স্থাপনের তথ্য রয়েছে এবং সে অনুযায়ী ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। তবে বর্তমানে যেসব এলাকায় পিলার নেই, সেসব এলাকার বাসিন্দারা আবেদন করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে পিলার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

Link copied!