× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

ব্রির এলএসটিডি প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত, উদ্ভাবিত হয়েছে তিন নতুন ধানের জাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৫:৫৭ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) বাস্তবায়নাধীন ‘নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) গাজীপুরে ব্রি মিলনায়তনে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ব্রির মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) আফসারী খানম। প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) ড. রাশিদা ফেরদৌস, এনডিসি। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মির্জা আশফাকুর রহমান।

কর্মশালায় এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ও ব্রির ফার্ম মেশিনারি অ্যান্ড পোস্টহারভেস্ট টেকনোলজি বিভাগের প্রিন্সিপাল সায়েন্টিফিক অফিসার ড. মো. আনোয়ার হোসেন প্রকল্পের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের অগ্রগতি এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি জানান, প্রকল্পের আওতায় ইতোমধ্যে ব্রি ধান-১১৬, ব্রি ধান-১১৭ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান-১০ নামে তিনটি নতুন ধানের জাত উদ্ভাবন ও অবমুক্ত করা হয়েছে। এসব জাত দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লবণাক্ত ও জলাবদ্ধ এলাকায় ধানের উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরে প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ১০ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রযুক্তি গ্রামগুলোতে প্রদর্শনী প্লট, কৃষক প্রশিক্ষণ, আধুনিক কৃষিযন্ত্রের ব্যবহার এবং গবেষণা-সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। আউশ, আমন ও বোরো মৌসুমে ‘রাইস গার্ডেন’ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষক ও গবেষকদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রাশিদা ফেরদৌস বলেন, এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি ও জ্ঞান কৃষকের কাছে পৌঁছে দিয়ে ধানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। তিনি প্রকল্পের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করার আহ্বান জানান।

সভাপতির বক্তব্যে আফসারী খানম বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জার্মপ্লাজম সংরক্ষণ, গবেষণা কার্যক্রম জোরদার এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের লক্ষ্য বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

কর্মশালায় ব্রির প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয় ও স্যাটেলাইট স্টেশনের বিজ্ঞানী, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, কৃষক প্রতিনিধি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদের এলএসটিডি প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো গবেষণা অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং দেশের বিভিন্ন কৃষি-প্রতিবেশগত অঞ্চলের উপযোগী স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ব্রির গবেষণা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা।

Link copied!