× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

চুয়াডাঙ্গায় রাফিজ হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার, হত্যায় ব্যবহৃত রশি উদ্ধার

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অপহরণের পর কিশোর রাফিজ মিয়া (১৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. লাল্টু মিয়াকে (৪১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি উদ্ধার করা হয়েছে। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত ৫ জুন সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে ডেকে রাফিজকে বাড়ি থেকে বের করে অপহরণ করা হয়। পরে রাত ১১টার দিকে তার দাদির মোবাইলে ফোন করে রাফিজের কান্নাজড়িত কণ্ঠ শোনানো হয় এবং ১২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে হত্যা করা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার পর ১০ জুন আলমডাঙ্গা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এর মধ্যে ১২ জুন রাতে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুরের অর্জুন খালের পাশ থেকে একটি মাথাবিহীন অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্ত, আলামত এবং পরে গ্রেপ্তার হওয়া আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেটি নিখোঁজ কিশোর রাফিজের মরদেহ।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানের নির্দেশনায় সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (সিসিআইসি) ও আলমডাঙ্গা থানা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তিগত তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে গত ২৬ জুন ভোরে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার নলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রধান আসামি লাল্টু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে লাল্টু জানান, রাফিজের বাবা প্রবাসে থাকায় মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে তাকে অপহরণের পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে মোটরসাইকেলে করে কুতুবপুরের অর্জুন খালের পাশে নিয়ে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়। পরে তার নিজের মোবাইল ফোন থেকেই পরিবারের কাছে কল করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

পরিবার টাকা দিতে ব্যর্থ হলে ওই রাতেই রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে রাফিজকে হত্যা করে মরদেহ অর্জুন খালে ফেলে রেখে যায় তারা। এরপরও সন্দেহ এড়াতে এবং টাকা আদায়ের আশায় পরিবারের কাছে একাধিকবার মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত আসামির দেখানো মতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি উদ্ধার করেছে। আদালতে হাজির করা হলে তিনি বিচারকের কাছে দোষ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ জানায়, লাল্টু মিয়ার বিরুদ্ধে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু ও চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় দুটি হত্যা মামলাসহ এ নিয়ে মোট তিনটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Link copied!