× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আর নেই

চট্টগ্রাম ব্যুরো

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (সিইআইটিসি) উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার (২৭ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই ছেলে, নাতি-নাতনি, আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বাদ এশা চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা এবং একই দিন বাদ জোহর মিরসরাই উপজেলার নিজ গ্রাম কাঠাছড়ায় তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের মৃত্যুতে চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন।

চক্ষু চিকিৎসা ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশে বহু সম্মাননা লাভ করেন। এর মধ্যে রয়েছে জার্মানির ‘দ্য অর্ডার অব মেরিট’, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেসের ‘লাইফ লং সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অব অফথালমোলজির ‘ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ ও স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড, বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজি স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানসূচক ডক্টরেট এবং ‘দ্য ডেইলি স্টার অ্যাওয়ার্ড’।

মিরসরাইয়ের সমাজসেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র সন্তান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। তার উদ্যোগে দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখ মানুষের চোখের অপারেশন সম্পন্ন হয়।

এ ছাড়া ১৯৮৩ সালে তার উদ্যোগে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩০ শয্যার চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যা বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজি প্রতিষ্ঠা এবং অপটোমেট্রি শিক্ষার প্রসারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

চক্ষু চিকিৎসাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তার অসামান্য অবদান দেশের স্বাস্থ্যখাতে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Link copied!