× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম

‘এখন মনে হচ্ছে, সত্যিই আমি একা হয়ে গেছি’

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৪:০৪ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ফেসবুকে দেওয়া পোস্টই যে কিছুদিনের মধ্যে নিজের জীবনের সাথে মিলে যাবে সেটি বোধহয় নিজেও জানতেন না জুনায়েদ ইসলাম সিফাত (১৬)। গত (২৯ মে) ‘জীবনে একা চলতে শেখা দরকার…’ লিখে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেন সিফাত। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে সে কথাই যেন নির্মম বাস্তবতা হয়ে সামনে এলো সিফাতের জীবনে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে একটি ভাড়া বাসায় ঢুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয় সিফাতের মা ও তিন বোনকে। পরিবারটিতে কেবল বেঁচে রয়েছে কিশোর সিফাত। সিফাতের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে। 

খুনের ঘটনার পর পালানোর সময় অভিযুক্ত অন্তর মজুমদারকে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণপিটুনি দেন। পরে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অন্তরের বাড়ি নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায়। তার বাবার নাম কার্তিক মজুমদার। 

জুনায়েদ ইসলাম সিফাত বলে, কোনো বিশেষ কারণ ছাড়াই কথাগুলো লিখেছিলাম। তখনো ভাবিনি, এক দিন আমার জীবনের সঙ্গে এটি কাকতালীয়ভাবে মিলে যাবে। এখন মনে হচ্ছে, সত্যিই আমি একা হয়ে গেছি। 

মা ও তিন বোনের লাশ উদ্ধারের ঘটনা ভুলতে পারছেন না জানিয়ে সিফাত বলে, আমি যে দোকানে চাকরি করি, সেখান থেকে ছুটে এসে ঘরে ঢুকতেই দেখি আমার মা রান্নাঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। পাশের কক্ষে তিন বোনের রক্তাক্ত দেহ। পুরো ঘর রক্তে ভেসে গিয়েছিল। সেই দৃশ্য আমি কোনোভাবেই ভুলতে পারছি না।

অন্তর মজুমদারের বিষয়ে জানতে চাইলে সিফাত বলে, অন্তর একসময় আমাদের ভবনের ওপরের তলায় ভাড়া থাকত। সে কারণে দু-একবার কথা হয়েছে। এর বাইরে তার সঙ্গে আমাদের কোনো ঘনিষ্ঠতা বা বিরোধ ছিল না। মা ও তিন বোনকে হত্যার ঘটনায় অন্তরের নাম শুনে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। কেন সে এমন ঘটনা ঘটাবে, তা এখনো বুঝতে পারছি না। 

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, মা ও তিন মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সম্ভাব্য সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকার নদীর পাড়ের একটি ভাড়া বাসায় মা ও তিন মেয়েকে হত্যার ঘটনাটিতে ঘটে। এতে নিহত হন শাহিনুর বেগম (৪০) এবং তার তিন মেয়ে সাইমা আক্তার (২১), নাফিসা আক্তার ইকরা (১৭) ফাতেমা আক্তার সিপা (১০)।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!