× UCB Sticker Card
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

দুমকিতে স্বেচ্ছাশ্রমে গোদা ও কাটাখালী খালের কচুরিপানা পরিষ্কার শুরু

পটুয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের আঠারোগাছিয়া এলাকায় দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে গোদার খাল ও কাটাখালী খালের কচুরিপানা পরিষ্কারের কাজ শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খাল দুটি দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানায় ভরাট হয়ে থাকায় জোয়ার-ভাটার স্বাভাবিক পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে কৃষিজমিতে সেচ ও চাষাবাদে সমস্যা দেখা দেওয়ার পাশাপাশি খালের পানিতে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায়ও দুর্ভোগ নেমে আসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, খাল দুটি পরিষ্কারের জন্য লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদকে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পরও সরকারি উদ্যোগ না পাওয়ায় এলাকাবাসী গত শনিবার থেকে নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কচুরিপানা অপসারণের কাজ শুরু করেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, গোদার খাল ও কাটাখালী খাল স্থানীয় কৃষি, পরিবেশ ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা জমে থাকায় পানির প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা বাড়ে এবং কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। একই সঙ্গে খালের দূষিত পানি ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ায় স্থানীয়দের গোসল ও গৃহস্থালির কাজেও ভোগান্তি সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা সোবাহান মল্লিক, মকবুল সিকদার, শাহ আলম হাওলাদার ও আলকাস সিকদার জানান, এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পর্যায়ক্রমে গোদার খাল ও কাটাখালী খাল সম্পূর্ণ পরিষ্কার করা হবে। স্বেচ্ছাশ্রমে খাল পরিষ্কারকরণ কাজের উদ্যোক্তা ইঞ্জিনিয়ার কামাল হোসেন বলেন, খাল দুটি পরিষ্কার হলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে আসবে, কৃষিকাজে সুবিধা বাড়বে, পরিবেশের উন্নতি হবে এবং দীর্ঘদিনের জনদুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।

স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি খালগুলোর নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও স্থায়ীভাবে নাব্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, জনগণের স্বেচ্ছাশ্রমে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে সরকারি সহায়তা পেলে খাল দুটি দীর্ঘমেয়াদে সচল রাখা সম্ভব হবে এবং এলাকার কৃষি ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!