× UCB Sticker Card
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

পরীক্ষার ফি দিতে দেরি হওয়ায় শিক্ষার্থীকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরীক্ষার ফি পরিশোধে দেরি হওয়ায় অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার বি.আর.এ.কে.এস. বলিভদ্রপুর-রামচন্দ্রপুর-আজমপুর-কাশিপুর-সৈয়দপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঘটেছে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম রাফিন হোসেন। পরিবারের দাবি, এ ঘটনার পর থেকে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে এবং দুই দিন ধরে ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করছে না।

পরিবার ও ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ভাষ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে যায় রাফিন। পরীক্ষা চলাকালে সহকারী শিক্ষিকা শাহনাজ পারভীন তার কাছে পরীক্ষার ফি চান। তখন রাফিন পারিবারিক সমস্যার কারণে কয়েক দিন পর ফি পরিশোধের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানায়। পরে তাকে প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের কক্ষে যেতে বলা হয়।

রাফিনের অভিযোগ, তিনি প্রধান শিক্ষকের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি চেয়ে অনুরোধ করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক জানান, পরীক্ষার ফি পরিশোধ ছাড়া কোনোভাবেই পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না এবং তাকে হল ত্যাগ করতে বলেন। পরে সে পরীক্ষা না দিয়েই কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়ি ফিরে যায়।

রাফিনের বাবা চঞ্চল হোসেন বলেন, পারিবারিক সমস্যার কারণে পরীক্ষার ফি দিতে কিছুটা দেরি হয়েছিল। কয়েক দিনের মধ্যেই ফি পরিশোধ করা হবে বলে সহকারী শিক্ষিকাকে জানিয়েছিলাম। তারপরও আমার ছেলেকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি। ঘটনার পর থেকে সে খুবই ভেঙে পড়েছে এবং দুই দিন ধরে ঠিকমতো খাচ্ছে না।

তিনি আরও দাবি করেন, আমরা আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তবে এই রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে ঘটনার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ করেননি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি গণমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি এইমাত্র জানতে পেরেছি। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Link copied!