× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

রাজশাহীতে ভাতার কার্ডের নামে টাকা আদায়ের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

রাজশাহী, স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৮:১১ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর পবা উপজেলার ৫ নম্বর হড়গ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) সদস্য মোছা. রুপালি পারভীনের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করে দেওয়ার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

একাধিক ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি ভাতার কার্ড করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। তবে এখনো অনেকেই প্রতিশ্রুত সুবিধা পাননি। অথচ সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড পেতে কোনো ধরনের ফি বা অর্থ নেওয়ার বিধান নেই।

ভুক্তভোগী হিরা ও আলিয়া বলেন, আমি প্রতিবন্ধী। মেম্বার আমাকে বলেছেন কার্ড করতে টাকা লাগবে। তার কথামতো আমি ৭ হাজার টাকা দিয়েছি। আমরা গরিব মানুষ, কিছু বুঝি না। পরে জানতে পারি সরকারিভাবে প্রতিবন্ধী কার্ড করতে কোনো টাকা লাগে না। আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। শুধু প্রতিবন্ধী ভাতা নয়, বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা দেওয়ার আশ্বাসেও অনেকের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এলাকায় টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মোছা. রুপালি পারভীন। তিনি বলেন, আমি প্রায় ১০ বছর ধরে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে পবা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোসেন খানের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইবনুল আবেদীন বলেন, এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ এখনো পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Link copied!