বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ডা. মনিরুজ্জামানের অপসারণে দাবিতে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা।
রোববার (২৬ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে শিক্ষার্থীরা বরিশার সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেন। এবং নয়া এই কর্মকর্তাকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোষর ও জুলাইবিরোধী আখ্যায়িত করে অন্যত্র সরিয়ে নিতে সরকারের কাছে দাবি রাখেন।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা মেনে নেওয়া যায় না। পরে তারা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন ডা. মনিরুজ্জামান যোগদানের শেষ দিন হলেও অফিসে যোগ দেননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার নির্ধারিত কক্ষের দরজায় প্রতীকীভাবে তালা ঝুলিয়ে দেন।
ছাত্র অধিকার পরিষদ বরিশার জেলার সভাপতি সাব্বির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘যার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই, বিতর্কমুক্ত ও সৎ কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক।’
তবে নবনিযুক্ত সিভিল সার্জন ডাক্তার মো. মনিরুজ্জামান রূপালী বাংলাদেশকে বলছেন, গত ২১ জুলাই তাকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেয়। এবং তিনি ২৩ জুলাই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেছেন। তিনদিন পরে স্বৈরাচারের দোষর এবং জুলাইবিরোধী আখ্যা দিয়ে অপসারণ দাবি করা হচ্ছে, এমনকি কক্ষও তালাবদ্ধ করা হয়েছে। তবে এই বিষয়ে সিভিল সার্জনের কোনো মন্তব্য করেননি।
এর আগে গত ২১ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় নিযুক্ত ডা. মো. মনিরুজ্জামানকে বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ প্রদান করে স্বাস্থ্য বিভাগ। আজ রোববার (২৬ জুলাই) তার যোগদানের শেষ দিন ছিল। এর আগে গত ২৩ জুলাই তিনি যোগদান করেছেন। তবে তিনি যোগদান করেননি এমনটি ভেবে যোগদানে বাধা দিতে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল আন্দোলনকারীরা।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন