× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম

বিষাক্ত কেমিক্যাল ছাড়াই শুটকি উৎপাদন

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪, ০৮:৫৩ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার শুঁটকি পল্লীতে বেড়েছে ব্যস্ততা। মিঠা পানির দেশি প্রজাতি মাছের শুঁটকি তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন হালতি বিল এলাকার মৎস্যজীবীরা। মৎস্যভান্ডার হিসেবে খ্যাত বৃহৎ হালতিবিলসহ এলাকার বিভিন্ন নদ-নদী, খাল-বিল ও জলাশয়ের পানি কমতে শুরু করায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে দেশীয় প্রজাতির ছোট বড় প্রচুর মাছ। হালতি বিলকে কেন্দ্র করে এর আশপাশে গড়ে উঠেছে ৩/৪টি শুঁটকি পল্লী। এসব শুঁটকিপল্লীতে মাছ শুকানোর কাজে বিষাক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা হালতি, দূলভপুর,মাধনগরের পরিত্যক্ত জায়গায় গড়ে উঠেছে প্রায় ৩/৪টি শুঁটকি পল্লী। হালতি বিলসহ আশপাশের নদ-নদী,খাল-বিল ও জলাশয়ে জেলেদের জালে ধরা পড়া ছোট বড় নানা প্রজাতির দেশীয় মাছ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে শুটকি পল্লীতে সরবরাহ করছে স্থানীয় জেলেরা। শুটকি পল্লীর নারী শ্রমিকরা সেসব মাছকে পানি দিয়ে পরিষ্কার করছেন আর পুরুষ শ্রমিকরা পরে সেগুলোকে বাঁশের উঁচু মাচায় রৌদ্রে শুকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।

দেশীয় প্রজাতির মাছের মধ্যে রয়েছে পুঁটি, চান্দা, টেংরা ও কই মাছ। এগুলোকে রৌদ্রে শুকিয়ে শুঁটকি তৈরি করে তারপর বস্তায় সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এভাবে কয়েক মণ শুঁটকি হলেই সেগুলোকে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। দেশের অন্যান্য এলাকার চেয়ে এ অঞ্চলের শুঁটকির গুণগত মান ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানের বাজারে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এই শুঁটকি পল্লীর ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন ও সাইদুল প্রামানিক জানান, হালতি বিল দেশীয় প্রজাতির মাছের অভয়ারণ্য হওয়ায় এলাকায় ৩/৪টি শুঁটকি পল্লী গড়ে উঠেছে। এতে শ্রমিকদের কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ী- রা জানান, আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত এই ৬ মাস শুটকি শুকানোর কাজ চলে। প্রতি ৩/৪ মণ কাঁচা মাছ শুকালে ১ মণ শুটকি তৈরি হয়।

তারা আরও জানান, এক মণ শুঁটকি মাছ প্রকার ভেদে বাজারে ৮ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এই মাছ শুকানোর কাজে শুধু লবণ ব্যবহার করা হয়। এতে অন্য কোনো মেডিসিন দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। শুঁটকি ব্যবসায়ীরা আরও বলেন,সহয়তার জন্য আমাদের সরকারিভাবে সহজ শর্তে ঋণ দিলে এ খাত আরও বেগবান হবে। এখানে বহু লোকের কর্মসংস্থান হবে।

এ বিষয়ে কথা হয় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সজ্ঞয় কুমারের সঙ্গে। তিনি জানান, আমাদের উপজেলায় প্রায় ৫০ টন শুটকি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মানসম্মত শুঁটকি প্রস্তুত করতে শ্রমিকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

আরবি/জেডআর

Link copied!