× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৫, ০৭:০৪ পিএম

ঈদের আগে সরকারি ভাতা পায়নি ৮ হাজার পরিবার

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৫, ০৭:০৪ পিএম

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

ছবি: রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বরাদ্দ সরকারি বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাভোগী কাউকেই টাকা দেওয়া হয়নি। এতে প্রায় ৮ হাজার পরিবার ঈদ আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। সরকারি ভাতাভোগীদের অধিকাংশরা মূলত ওই ভাতার টাকার ওপর নির্ভরশীল। তাদের মধ্যে যারা ভাতা পান তারা হলেন স্বামী পরিত্যক্তা, বিধবা বৃদ্ধা, আর শারীরিকভাবে অক্ষম প্রতিবন্ধীরা।

ঈদের আগে উপজেলা সমাজসেবা অফিসের ভাতার টাকা না পাওয়ায় কষ্টে কেটেছে তাদের ঈদ। উপজেলাটিতে বিধবা ভাতাভোগীর সংখ্যা প্রায় ২ হাজার ৮৪৪ জন আর প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীর সংখ্যা ৫ হাজার ৩ জনের মতো।

যেসব বিধবা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা ভাতা পেতেন তাদের বাড়ি গিয়ে সরেজমিনে দেখা গেছে, অন্যরকম কিছু চিত্র। কারো বাসায় কিনতে পারেনি চাল-ডাল, আবার কেউ কিনতে পারেনি সেমাই-চিনি, কেউ দেখতেই পায়নি মাছ-মাংস। আবার অনেকে কিনতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। তাদের কেউ কেউ আফসোস প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

টাকা না পাওয়া একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী আব্দুর রশিদ বলেন, আমার কাছে কিছু টাকা ছিল তা দিয়ে ছোট দুই বাচ্চাকে জামা কিনে দিয়েছি। আমি কিছুই কিনতে পারিনি। আশা ছিল অন্তত ঈদের দিন রাতে হলেও টাকা পাব। কিন্তু ওই টাকা না পাওয়ায় মাংস কিনতে পারিনি। মনের ভিতর খুব কষ্ট লাগছে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে দুই প্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়ের মা রাশেদা বেগম বলেন, আমার দুই সন্তানের জন্য কোনো নতুন জামাকাপড় কিনতে পারিনি। এমনকি সেমাই আর একটু মাংসের ব্যবস্থা করে দিতে পারিনি। টাকা পেলে চাল ডাল, আর তরকারি কিনে ঈদটা আনন্দে কাটাতে পারতাম।

এসব বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রবিউল করিম জানান, আমি মনে করেছিলাম ঈদের আগে সবাই ভাতার টাকা পেয়ে গেছে। কিন্তু তারা না পাওয়ায় খারাপ লাগছে। আমরা পেরোল পাঠিয়েছি।

এ বিষয়ে ফোনে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনিরা খাতুন বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকে পুরো রাজশাহী জেলার জন্য পেরোল পাঠানো হয়েছে। কেন টাকা পায়নি সেটা জানি না তবে খুব দ্রুত তারা টাকা পেয়ে যাবেন।

আরবি/এসআর

Link copied!