বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শেলাবুনিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহতের ঘটনায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। বিশেষ করে একই পরিবারের ৯ জনের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের মাতম বইছে।
স্বজন হারানোর বেদনায় বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। অনেকেই শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। প্রতিবেশীরাও যেন সান্ত্বনার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না। স্বজনদের আহাজারিতে শেলাবুনিয়া এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর উপজেলা প্রশাসনের মাঠে নিহত ব্যক্তিদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাদের মরদেহ মোংলা পৌর কবরস্থানে দাফন করা হবে।
প্রতিবেশীরা বলেন, ‘আশপাশের ৯টি মসজিদ থেকে খাটিয়া আনা হয়েছে। গোসল শেষ করে একে একে নয় তাদেরকে রাখা হয়েছে খাটিয়াতে। দুপুরে জুমার নামাজের পর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তাদের জানাজা হবে। পরে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হবে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার গুনাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে নববধূ বহনকারী একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৪ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৯ জন একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।
এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে মোংলা ও আশপাশের এলাকায়। স্থানীয়রা দ্রুত এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।


