× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৪:২০ পিএম

ঘুমন্ত মানুষের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫, ০৪:২০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় জেঁকে বসেছে শীত। হিমেল হাওয়া, ঘন কুয়াশা এবং তীব্র শীতের কারণে ছিন্নমুল ও অসহায় হতদরিদ্র মানুষরা পড়েছেন অনেকটাই বিপাকে। গত তিন দিন ধরে সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দিনের বেলায় হালকা কুয়াশা থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে কুয়াশা ও শীতের তীব্রতা বেড়ে যাচ্ছে। কুয়াশার কারণে কাছের জিনিসও দৃশ্যমান থাকে না। এদিকে আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনে শুয়ে থাকা ছিন্নমুল ও অসহায় মানুষদের কষ্টের যেন শেষ নেই। এই শীতে ঘুমের মধ্যেই থরথর করে কাঁপছিলেন অনেক।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে এমন পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া। তিনি স্টেশনে থাকা অসহায় ছিন্নমুল মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে অন্তত শতাধিক অসহায় মানুষের গায়ে তিনি কম্বল জড়িয়ে দেন। কম্বল পেয়ে অসহায়রা খুশি হন এবং অনেকেই আপ্লুত হয়ে পড়েন।

ইউএনও অফিস সূত্রে জানা গেছে, এর আগে খড়মপুর মাজার ও আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এ ধরণের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় কম্বল পেয়ে মো. তামসু মিয়া বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে তীব্র শীত পড়েছে। রাতে ঘুমানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কম্বল পেয়ে আমি খুবই খুশি। এখন আর শীতে ঘুমাতে কষ্ট করতে হবে না।’

জুলেহা বেগম বলেন, ‘আমার কোনো বাড়ি নেই। বেশিরভাগ সময় স্টেশন এলাকায় থাকি। গত কয়েক দিন ধরে প্রচণ্ড শীতে রাতে ঘুমানো খুবই কষ্টকর ছিল। কম্বল পেয়ে এখন আর রাতে ঘুমাতে কষ্ট হবে না। আমি খুবই খুশি।’

এদিকে উপজেলা প্রশাসনের এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসন শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে, যা কিছুটা হলেও তাদের কষ্ট কমাবে। উপজেলা প্রশাসনের এই কার্যক্রম শীতার্ত মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

শীতবস্ত্র বিতরণের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, ‘বেশ কয়েক দিন ধরে শীত জেঁকে বসেছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন অসহায় ছিন্নমুল মানুষরা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা চেষ্টা করছি তাদের পাশে দাঁড়াতে। এই শীতে তারা যাতে কষ্ট না পান, সেজন্য তাদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আমরা সব সময় অসহায় মানুষের পাশে আছি।’

Link copied!