× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম

‍‍`দাঁড়িয়ে যাওয়া‍‍` সেই গাছ কাটল প্রশাসন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম

ভাইরাল সেই গাছ কাটল প্রশাসন। ছবি : সংগৃহীত

ভাইরাল সেই গাছ কাটল প্রশাসন। ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ঝড়ে উপড়ে পড়ার পর আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যাওয়া একটি গাছকে ঘিরে অপচেষ্টা ঠেকাতে সেটি কেটে ফেলেছে উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের বচিয়ারা গ্রামে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করা হয়। প্রশাসনের দাবি, গাছটিকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ছিল এবং সেখানে মাজারসদৃশ পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে ঝড়ে মুন্সীবাড়ির পুকুরপাড়ের গাছটি উপড়ে পড়ে। পরে গাছটির ডালপালা ও ওপরের অংশ কেটে ফেলা হয়। তবে প্রায় এক সপ্তাহ আগে হঠাৎ করেই অবশিষ্ট প্রায় ১৫ ফুট লম্বা কাণ্ডটি আবার সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

গাছটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ভিড় করতে শুরু করে। একপর্যায়ে কিছু লোক গাছের গোড়ায় লাল কাপড় বেঁধে মোমবাতি ও আগরবাতি জ্বালিয়ে মানত করা শুরু করে। পাশাপাশি চারপাশে নিশানা টাঙিয়ে স্থানটিকে মাজারের আদলে রূপ দেওয়ার চেষ্টাও দেখা যায়।

এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও সমাজকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হন। তাদের মতে, এটি কোনো অলৌকিক ঘটনা নয়; বরং গাছের ওপরের অংশ কেটে ফেলার ফলে ভরকেন্দ্র পরিবর্তন, শিকড়ের টান, মাটির স্থিতিস্থাপকতা এবং অভ্যন্তরীণ রসচাপের কারণে কাণ্ডটি পুনরায় সোজা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে শুক্রবার ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছটি কেটে ফেলা হয়।

আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কফিল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। মালিকের সম্মতি নিয়েই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় এটি অপসারণ করা হয়েছে। গাছ বিক্রির অর্থ স্থানীয় কোনো মসজিদ বা মাদরাসায় অনুদান হিসেবে দেওয়া হবে বলে মালিক জানিয়েছেন।

প্রশাসনের এ পদক্ষেপে এলাকায় সম্ভাব্য কুসংস্কার বিস্তার ও ভণ্ড মাজার গড়ে ওঠার আশঙ্কার অবসান হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!