× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

চাঁদপুর লঞ্চঘাটে ঈদ ঘরমুখো যাত্রীদের দুর্ভোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

বিগত প্রায় ৪ বছর আগে চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণ কাজ শুরু হলেও এখন পর্যন্ত তা শেষ হয়নি। ঘাটের পন্টুনের সাথে সিঁড়িগুলো অনেক উঁচু। নেই বিশ্রামাগার। ঘাটে থাকা পরিবহনে অব্যবস্থাপনা। সব মিলিয়ে একটি হযবরল অবস্থা। যার ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লঞ্চে আসা যাত্রীরা ঘাটে এসে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র উল্টো।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরেজমনি লঞ্চঘাটে অবস্থান করে দেখা গেছে যাত্রীদের দুর্ভোগের চিত্র। বিশেষ করে যাত্রীরা লঞ্চ থেকে নামলে ঘাটে থাকা সিএনজি চালিত অটোরিকশা, অটোবাইক চালকদের মালপত্র নিয়ে টানাটানি করে বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হচ্ছে। বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাঁদপুর আধুনিক লঞ্চঘাট নির্মাণ কাজ শুরু হলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ বন্ধ রাখায় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে বিআই ডাব্লিউটিএর প্রকৌশল বিভাগ যাত্রী চলাচলের জন্য কিছুটা মেরামত কাজ করলেও তাতে হাজার হাজার যাত্রীর দুর্ভোগ কমছে না।

ঘাটে লঞ্চের জন্য অপেক্ষমান যাত্রী রোকসানা বেগম বলেন, ‘ঢাকায় যাব। লঞ্চের জন্য অপেক্ষা করছি। কিন্তু বিশ্রামাগার না থাকায় খোলা আকাশের নীচে বসে থাকতে হচ্ছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থা নেই। শিশুদের নিয়ে অনেক বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। দূর থেকে আসা সকল যাত্রীই এখন একই পরিস্থিতির শিকার।’

আরেক যাত্রী আব্দুর রউফ বলেন, ‘ঈদে মানুষ বাড়িতে আসার আনন্দের জন্য আসে। কিন্তু লঞ্চ থেকে নামলে কুলিরা মালপত্র নিয়ে টানাটানি করে। এরপর অটো চালকদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।’

ঢাকাগামী আরেক যাত্রী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘লঞ্চে যাতায়াত করে নিরাপদ ভ্রমণ হয়। কিন্তু এই লঞ্চঘাটে অব্যবস্থাপনার কারণে যাত্রীদের হয়রানির শিকার হতে হয়। বিশেষ করে গাড়ি চালকরা বেশি হয়রানি করে। কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি, তারা যেন বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন।’

চাঁদপুর নৌ থানার ওসি এএসএম ইকবাল হোসেন বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে লঞ্চঘাটের যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য নৌ পুলিশ ২৪ ঘন্টা দায়িত্ব পালন করছে। ঈদের পরও নৌ পুলিশ ঘাটে দায়িত্ব পালন করবে।’

চাঁদপুর নৌ বন্দরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের নৌ বন্দরের নির্মাণ কাজ চলমান। যার কারণে অস্থায়ী ঘাট দিয়ে যাত্রীদের চলাচল করতে হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি যাত্রীরা যাতে নিরাপদে বাড়ি যেতে পারে।’

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম সরকার বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে লঞ্চঘাটে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। আশা করছি যারা ঘাটে দায়িত্ব পালন করছেন, তাদের তত্ত্বাবধান ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় যাত্রী সেবা নিশ্চিত হবে।’

Link copied!