× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

সবজি চাষে ব্যর্থতা ঘুচিয়ে বরই চাষে কৃষকের বাজিমাত

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চাষাবাদে বারবার লোকসান আর হতাশা যখন ঘিরে ধরেছিল, তখন প্রথাগত সবজি চাষ ছেড়ে বরই চাষের দিকে ঝুঁকেছিলেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর এলাকার কৃষক আবুল কালাম। মাত্র নয় মাস আগে শুরু করা সেই কুল বাগানেই এখন নজরকাড়া ফলন। প্রথম বছরেই বাম্পার ফলনে শুধু ভাগ্যই নয়, পাল্টে গেছে কালামের জীবনের গল্পও।

চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর পূর্ব নাছির মোহাম্মদপাড়া এলাকার কৃষক আবুল কালাম জানান, দীর্ঘদিন শাক-সবজি চাষ করেও ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং রোগবালাইয়ের কারণে তিনি বারবার লোকসানের শিকার হন।

একপর্যায়ে কৃষিকাজ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শে বাড়ির পাশের আড়াই একর জমিতে ৮ থেকে ৯ শত কুলের চারা রোপণ করেন। বর্তমানে প্রতিটি গাছ ফলের ভারে মাটির দিকে নুয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে বাগান ঘুরে দেখা যায়, থোকায় থোকায় ঝুলে আছে ভারত সুন্দরী ও বাউ কুল। কালাম জানান, নতুন বাগান থেকে প্রথম বছরেই ভালো ফলন পাওয়া সাধারণত কঠিন হলেও সঠিক পরিচর্যার কারণে তার ভাগ্য বদলে গেছে।

বর্তমান বাজারে কুলের দাম ভালো থাকায় গত ১৫ দিনেই তিনি প্রায় দেড় লাখ টাকার কুল বিক্রি করেছেন। পুরো মৌসুমে আগের সব ক্ষতি পুষিয়ে বড় অঙ্কের মুনাফার আশা করছেন তিনি।

আবুল কালাম বলেন, সবজি চাষ করে বারবার লোকসান হওয়ায় কৃষিকাজই ছেড়ে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনের পরামর্শে ও প্রশিক্ষণ নিয়ে কুল চাষ শুরু করি। প্রথম বছরেই এত ভালো ফলন হবে, তা কল্পনাও করিনি। এখন আমি অনেক আত্মবিশ্বাসী।

হাশিমপুর ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, আবুল কালাম যখন হতাশ হয়ে কৃষিকাজ ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন, তখন আমরা তাকে আধুনিক ভারত সুন্দরী ও বাউ কুল চাষের পরামর্শ দিই।

অফিস থেকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, সার ও কৃষি উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। মাত্র নয় মাসেই তিনি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, কৃষক কালামের এই অভাবনীয় সাফল্য দেখে এলাকার বেকার যুবক ও অন্যান্য কৃষকদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। কম পরিশ্রম ও স্বল্প খরচে কুল চাষ যে ভাগ্যের দুয়ার খুলে দিতে পারে, আবুল কালাম তার অনন্য দৃষ্টান্ত। এখন স্থানীয় অনেক কৃষক পরামর্শ ও চারা সংগ্রহের জন্য তার বাগানে ভিড় করছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!