× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

অযত্নে ধ্বংসের পথে কর্ণফুলীর এলিফ্যান্ট ইকো পার্ক

আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম

কর্ণফুলীর এলিফ্যান্ট ইকো পার্ক।ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কর্ণফুলীর এলিফ্যান্ট ইকো পার্ক।ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান এলিফ্যান্ট ইকো পার্ক অযত্ন ও অবহেলায় নষ্ট হওয়ার পথে। সরকারি উদ্যোগে নির্মিত পার্কটি কোনোমতে চালু থাকলেও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। পার্কের চারদিকে নোংরা আবর্জনা। ভাঙাচোরা রাইড ও অচল বিনোদন সামগ্রীর কারণে হতাশ দর্শনার্থীরা।

২০২৩ সালের এপ্রিলে কর্ণফুলী উপজেলার বড় উঠান ইউনিয়নের খিলপাড়া এলাকায় দখলমুক্ত প্রায় দেড় একর সরকারি খাসজমিতে উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এলিফ্যান্ট ইকো পার্কটি নির্মাণ করা হয়। পার্ক নির্মাণে অর্থায়ন করে বড় উঠান ইউনিয়ন পরিষদ, কর্ণফুলী উপজেলা প্রশাসন ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। শিশু কিশোরদের খেলাধুলার সুযোগ নিশ্চিত করতে পার্ক এলাকার এক একর জমিতে একটি খেলার মাঠও নির্মাণ করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, শিশুদের জন্য স্থাপিত একাধিক রাইড ভেঙে গেছে। কোথাও স্লাইডের অংশ খুলে পড়েছে, কোথাও বসার জায়গার কাঠামো নষ্ট হয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকা রাইডগুলো সংস্কারের কোনো উদ্যোগও চোখে পড়েনি। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা না থাকায় পার্কের বিভিন্ন স্থানে ময়লা আবর্জনা জমে আছে।

তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে পার্ক খোলার কথা থাকলেও বর্তমানে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। পার্কের নিরাপত্তায় তিন জন গ্রামপুলিশ নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে দুজন সকালে ও একজন রাতে দায়িত্ব পালন করেন। পার্কে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি টিকিট মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা।

জানা যায়, সপ্তাহের সাধারণ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ১০০ জন দর্শনার্থী পার্কে আসেন। ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ জনে দাঁড়ায়। টিকিট বিক্রি করে গড়ে প্রায় ৭ হাজার টাকা আয় হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

পার্কে থাকা কায়াকিং বোটগুলোও দীর্ঘদিন ধরে অচল অবস্থায় পড়ে আছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকার পতনের পর গত ৫ আগস্টের পর থেকে কায়াকিং কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে পার্কের পুকুরে পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বোটগুলো পুকুরপাড়ে পড়ে থেকে রোদ বৃষ্টিতে নষ্ট হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!