ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে ১৯ দিনব্যাপী স্বাধীনতা বইমেলা শুরু

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১০:১০ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতার মাসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে ১৯ দিনব্যাপী ‘স্বাধীনতা বইমেলা-২০২৬’ শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে এ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়, যা চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপির উপ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, শহিদুল হক চৌধুরী,  অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুসরাত সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাঠান মো. সাইদুজ্জামান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি নৈতিক, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই মানুষের চিন্তাকে প্রসারিত করে, মূল্যবোধ তৈরি করে এবং প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।

বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না, বরং বই মানুষের জ্ঞানের ভান্ডার সমৃদ্ধ করে। তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সংস্কৃতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-লাইব্রেরির ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। যারা জীবন বাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, তাদের অনেকেই আজও কষ্টে দিনযাপন করছেন। তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।

মেয়র আরও বলেন, আমরা চাই, চট্টগ্রামের প্রতিটি ঐতিহাসিক স্থানে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষিত হোক, যাতে আগামী প্রজন্ম সত্য ইতিহাস জানতে পারে।

৪০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে চট্টগ্রামের মহান স্বাধীনতা বইমেলায় ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল স্টল এবং ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল রয়েছে। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ মোট ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে।

প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবারের মেলায় লেখক পাঠকের ব্যাপক সমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।