দেশের সবচেয়ে বড় চিনিকল কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্টিলারি গোডাউন থেকে আনুমানিক অর্ধকোটি টাকার (প্রায় ৩০০ কার্টন) ফরেন লিকার (বিলেতি মদ) উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য কর্তৃপক্ষ চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
কমিটি মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ডিস্টিলারি শাখাটি প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম লাভজনক ইউনিট হিসেবে পরিচিত। বিপুল পরিমাণ মদ কীভাবে উধাও হয়েছে, তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠেছে।
ফরেন লিকার বিভাগের সুপারভাইজার আবুল কালাম জানান, প্রতিদিন উৎপাদিত ফরেন লিকারের হিসাব নথিভুক্ত করা হয়। তবে একই সংখ্যা দুবার বসানো হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।
ফরেন লিকার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ও গোডাউন ইনচার্জ নুরুল ইসলাম জানান, হিসাব অনুযায়ী মালামাল সঠিক আছে, কোনো ধরনের গরমিল নেই।
জি এম (ডিস্টিলারি) রাজিবুল হাসান বলেন, ৩০০ কার্টন ফরেন লিকার উধাও হওয়ার যে সংবাদ এসেছে, তা সঠিক নয়। গোডাউন পুরোপুরি সিসি ক্যামেরার আওতায় রয়েছে।
কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাব্বিক হাসান জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য হিসাব বিভাগের প্রধান গোলাম জাকারিয়াকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরই স্পষ্ট হবে আসলে কী ঘটেছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন