ফেনীর সোনাগাজীর মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের শামসুল হুদা মিয়ার নতুন বাড়িতে রোববার (১৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার থেকে জানা যায়, বাড়িতে শামসুল হুদা ও তার পুত্রবধূ বিবি আয়শা এবং দুই নাতি-নাতনি ছিলেন। পাশের বাড়িতে স্বজনের বিয়ে চলছিল, ঘরের অন্য সদস্যরা সেই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছিলেন।
ঘুমে থাকা অবস্থায় রাত আনুমানিক ২:৩০ থেকে ৩টার দিকে চার জন ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি, মারধর ও রক্তাক্ত করে।
এরপর তারা স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ ছাড়া আসবাবপত্রও ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করা হয়। ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
তার পুত্রবধূ বিবি আয়শা জানান, ‘আমার স্বামী প্রবাসে থাকে। আমরা আমাদের ৫ বছর বয়সি মেয়ে ও ৩ বছর বয়সি ছেলের সঙ্গে ঘুমাতে যাই। রাতে চার জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে।’
শামসুল হুদা জানান, ‘পুত্রবধূ ও শিশুদের একরুমে আটকে রেখে শারীরিকভাবে ধমক দেয়। এরপর তারা আমার ওপর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে করতে মূল্যবান জিনিসপত্রের তথ্য জানতে চায়।
প্রথমে না বললে মাথা ও কোমরে আঘাত করে। তারা গৃহবধূর কানের দুল ও আলমিরাতে থাকা প্রায় ১২ আনা স্বর্ণসহ নগদ ২০ হাজার টাকা লুট করে। এরপর আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং একরুমে পরিবারের সবাইকে আটকে রেখে বাইরে চলে যায়।
পরে কৃষক শ্যামল চন্দ্র শর্মা বাড়ির জানালা দিয়ে ডাক শুনে দরজা খুলে পরিবারের সদস্যদের উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়।’
সোনাগাজী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সৈয়দপুরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আমাদের টিম কাজ করছে।’


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন