ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শিক্ষিকাকে হত্যা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
প্রতীকী ছবি।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকায় ধর্ষণের পর হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে শামসুন্নাহার রুমা নামের এক স্কুলশিক্ষিকাকে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকার একটি বাসা থেকে পুলিশ ওই শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় তার হাত-পা বাঁধা এবং গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল। 

হত্যার শিকার শামসুন্নাহার রুমা চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের সোলাইমান আলী মাস্টারের মেয়ে।

পুলিশ ও প্রতিবেশীরা জানায়, রুমার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর এক ছেলেসন্তান নিয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পড়াশোনার কারণে ছেলে ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে শামসুন্নাহার রুমা একাই বসবাস করছিলেন। তার বাড়িতে কয়েকবার চুরির ঘটনাও ঘটে। 

পুলিশ জানান, হত্যার শিকার ওই নারীর সঙ্গে কারো পরকীয়ার সম্পর্ক থাকতে পারে। যারা তাকে হত্যা করেছে তারা পরিচিত হতে পারে। সে কারণে বিনা বাধায় বাড়ির দরজা ও ঘরের দরজা খোলা পেয়ে ঘরে ঢোকে। তদন্তে বেড়িয়ে আসবে হত্যার নেপথ্য কাহিনি। 

গোবিন্দগঞ্জের নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক মতিন মোল্লা জানান, মাত্র তিন দিনে দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা ও এক তরুণীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার ঘটনা আমাদের আহত করেছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এসব অপকর্ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। 

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি মুহম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, হত্যার মোটিভ নিয়ে পুলিশের ক্রাইমসিন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি।