গাইবান্ধার সাত উপজেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের নির্দেশে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা মোকাবিলায় মোট ৬৮০টি ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ছাড়াও জেলার সব ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলে ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর চারটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হয়েছে, যাতে প্রয়োজন হলে সেনা দ্রুত পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে ভোটের আগে থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদের কর্মীদের ওপর হামলা, মারপিট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া, বিএনপি অফিসের সামনে র্যাবের বোমা ডিসপোজাল টিম একটি সন্দেহজনক বস্তু উদ্ধার করেছে, যা সাঘাটা থানায় নেওয়া হয়েছে।
জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও প্রার্থী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার চৌধুরী বলেন, ‘গাইবান্ধা-৫ আসনে ভোট নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। নিরাপত্তা নেই।’ একই অবস্থান ব্যক্ত করেছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নাহিদুজ্জামান নিশাদ।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, তিস্তা, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর ১৬৫টি দুর্গম চরাঞ্চলে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মাঠে টহল থাকবে। ভোট কেন্দ্রে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে হেলিকপ্টারে দ্রুত সেনা পৌঁছাবে।
সিসিটিভি ক্যামেরার পাশাপাশি মোবাইল টিম, বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও আনসার বাহিনীও কেন্দ্রে নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকবে। এ ছাড়া ৪০ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করবেন।
জেলা প্রশাসক মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘শুধু ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নয়, সব কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলের ভোটেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখবে।’

-20260209184011.webp)

