ঝিনাইদহ-১ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও শৈলকুপার কৃতিসন্তান, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ বলেছেন, শিক্ষা খাতে উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় নেই। নির্বাচনের আগেই আমি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করেছি এবং তার নানা দিক তিনি জনতার সামনে তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘অন্যান্য জেলার পক্ষ থেকে যখন আমাকে সুপারিশ করতে বলা হয়, এখন আমি স্পষ্ট করে বলি—আপনারটা আপনি দেখেন, কারণ আমার শৈলকুপা এখনো অনেক পিছিয়ে। আমি নির্বাচিত হলে শৈলকুপার আলোকিত মানুষের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সব ধরনের চেষ্টা করব।’
তিনি বলেন, ‘যাদের আজ নৌকা মার্কা নেই, তাদের ভোট দেওয়ার জায়গা হারিয়ে যায়নি—আসুন সবাই একসাথে ধানের শীষে ভোট দিই। কেউ যদি বেহেশতের টিকিট দেওয়ার কথা বলে তা বিশ্বাস করবেন না, তাদের কথা নীল নদের পানির মতো শুকিয়ে যাচ্ছে। আমরা মধ্যপথ থেকে সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। রাজনৈতিক বই না পড়ে, রাজনীতি না জেনে আমার সঙ্গে বিতর্কে আসবেন না। আমি নির্বাচিত হলে শৈলকুপা থেকে রেললাইন চালুর উদ্যোগ নেব ইনআশাল্লাহ। এখানে যেহেতু বিপুল পরিমাণ গরুর দুধ উৎপাদন হয়, তাই একটি দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প স্থাপনেরও ব্যবস্থা করব।’
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শৈলকুপা সরকারি পাইলট হাই স্কুল মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে এসব কথা বলেন তিনি। সমাবেশে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন এবং প্রার্থীর উন্নয়ন ভাবনা ও প্রতিশ্রুতি মনোযোগ দিয়ে শোনেন।
বক্তব্যে তিনি শিক্ষা, অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ করে রেললাইন চালু ও দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা, কৃষকের পেঁয়াজ মজুদ রাখার জন্য ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। তিনি শৈলকুপাকে একটি আধুনিক, কর্মমুখী ও স্বনির্ভর জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উন্নয়নের নানা প্রত্যাশা তুলে ধরেন এবং শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, শৈলকুপার সার্বিক অগ্রগতির জন্য ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগই হতে পারে আগামী দিনের প্রধান শক্তি।

