একই দিন ও প্রায় একই সময়ে দুটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি জনসভা ও মিছিলের অনুমতি দেওয়ায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী মাওলানা আবু তালিব আহুত জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
মঙ্গলবার (০৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর কালীগঞ্জ শহরের কলেজ রোডে জামায়াতের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সরকারি নলডাঙ্গা ভূষণ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জামায়াতে ইসলামী পূর্ব নির্ধারিতভাবে নির্বাচনি সমাবেশ ও মিছিল আয়োজন করবে। এ কর্মসূচির জন্য তারা গত ২৬ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণ করেছেন এবং সে অনুযায়ী প্রচারও চালানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, একই দিন বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ খান কালীগঞ্জ নতুন বাজার মিনি স্টেডিয়ামে জনসভা ও মিছিলের আয়োজনের অনুমতি পেয়েছেন। যা আইনশৃংখলার অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন।
জামায়াত প্রার্থী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছিল, ছোট শহরে একই দিনে একাধিক দলের জনসভা করা সম্ভব নয়। যে দল আগে অনুমতি নেবে তাকেই ছাড় দেওয়া হবে। তাহলে আমাদের আগে অনুমতি নেওয়ার পর বিএনপিকে কিভাবে অনুমতি দেওয়া হলো-তা আমাদের বোধগম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, গত ২২ জানুয়ারি সাইফুল ইসলাম ফিরোজের জনসভা থাকায় জামায়াতকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। যা আমরা মেনে নিয়েছিলাম। পরবর্তীতে ৯ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি নির্ধারণ করে অনুমতি নেওয়া হলেও একই দিনে আরেক দলের কর্মসূচির অনুমোদন প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণের ইঙ্গিত দেয়।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন