× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ১০:২২ এএম

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে হরিণাকুণ্ডুতে ঈদ উদ্‌যাপন

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২০, ২০২৬, ১০:২২ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হয়েছে। 

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে আনন্দঘন পরিবেশে উপজেলার তিনটি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ৮টায় উপজেলা শহরের ফুটবল মাঠসংলগ্ন দুলদুল রাইস মিল প্রাঙ্গণে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা হাবিবউল্লাহ।

দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় একটি বড় অংশ সহিহ হাদিসের আলোকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এই ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন।

আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, এবারের জামাতে কেবল হরিণাকুণ্ডু নয়, বরং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চোরকোল, শ্যামনগর, যাদবপুর এবং হরিণাকুণ্ডুর দখলপুর, নারায়ণকান্দি, বৈঠাপাড়া, বোয়ালিয়া, চটকাবাড়ীয়া, পারফলসী ও পায়রাডাঙ্গাসহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মুসল্লিরা অংশ নেন। এ ছাড়া উপজেলার ভালকী ও নিত্যানন্দপুর স্কুল মাঠেও পৃথক দুটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নামাজ শেষে মোনাজাতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়। নামাজে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা জানান, পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা যাওয়ার নির্ভরযোগ্য খবর পাওয়া গেলে তারা ঈদ পালন করেন। তাঁদের মতে, রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহ এবং ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই ইবাদত পালন একটি দীর্ঘদিনের ধর্মীয় রীতিতে পরিণত হয়েছে।

জামাত আয়োজক কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান বলেন, ‘আমরা রাসূল (সা.)-এর নির্দেশিত পথ ও সুন্নাহ অনুসরণ করে চলি। যেহেতু বিশ্বের অধিকাংশ মুসলিম দেশ আজ ঈদ পালন করছে, তাই আমরাও ধর্মীয় ঐক্যের খাতিরে ঈদের নামাজ আদায় করেছি।’

ইমাম মাওলানা হাবিবউল্লাহ জানান, গত ২৩ বছর ধরে এ এলাকায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এক সময় মুসল্লির সংখ্যা বেশি থাকলেও এখন উপজেলার তিনটি আলাদা স্থানে জামাত হওয়ায় উপস্থিতি কিছুটা বিভক্ত হয়েছে; তবে মানুষের আগ্রহ ও ধর্মীয় অনুভূতি এখনো অটুট।

Link copied!