ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বসতঘর থেকে নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০২:১৭ পিএম
নিহতের বাড়িতে স্বজনের ভিড়। ছবি : সংগৃহীত

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের দিগদারি এলাকায় নিজ বসতঘর থেকে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী নিখোঁজ রয়েছেন।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম মহিমা বেগম। তিনি ওই এলাকার বাবলু মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবলু মিয়া দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বসবাস করতেন। সেখানে তিনি রিকশার গ্যারেজ ও একটি মেস পরিচালনা করতেন। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন তারা। রোববার সন্ধ্যায় তাদের ঢাকায় ফেরার কথা থাকলেও তারা আর যাননি।

সোমবার ভোরে বাবলু মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে দেখতে পান, ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকানো। চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এসে দেখেন, বাড়ির সবকটি ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো। পরে ছোট ছেলে কোনোভাবে একটি ঘরে ঢুকে বিছানায় মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে।

পরিবারের সদস্যরা বাবলু মিয়াকে আশপাশে কোথাও খুঁজে পাননি। নিহত মহিমা বেগমের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহের পাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।

খবর পেয়ে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, স্বামী বাবলু মিয়া স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যেতে পারেন। তবে অন্য কেউ হত্যার পর বাবলু মিয়াকে অপহরণ করেছে কিনা, সে বিষয়টিও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নাগেশ্বরী থানার ওসি আব্দুল্লাহ হিল জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।