ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আমির হামজার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি ১ ফেব্রুয়ারি

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১২:৪৪ এএম
মুফতি আমির হামজা। ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে দায়ের করা মামলার শুনানি আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এ তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল মজিদের মাধ্যমে লিখিতভাবে মামলাটির আবেদন করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোলাইমান চৌধুরী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ওয়াজ মাহফিলের ভিডিওতে মুফতি আমির হামজা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার কনিষ্ঠ পুত্র মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর নাম বিকৃত করে ব্যঙ্গাত্মক ও মানহানিকর মন্তব্য করেছেন। বাদীর দাবি, তিনি গত ১৬ জানুয়ারি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন শাহ হল এলাকায় অবস্থানকালে ভিডিওগুলো দেখেন।

এ ঘটনায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

বাদী সোলাইমান চৌধুরী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা নয়। সমাজে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান রক্ষার স্বার্থেই তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এদিকে আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনা ও বিক্ষোভের মুখে পড়েন মুফতি আমির হামজা। পরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, তাঁকে বিভিন্নভাবে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি ‘মৃত্যুর জন্য সব সময় প্রস্তুত’ আছেন।

ওই স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, তার অনুপস্থিতিতে কুষ্টিয়ায় ‘ইনসাফ কায়েমের’ যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা যেন অব্যাহত রাখা হয়। একই সঙ্গে তার তিন কন্যাসন্তানের দেখভালের অনুরোধ জানান তিনি।

এর আগে আরাফাত রহমান কোকোর নাম বিকৃত করে প্রাণীর সঙ্গে তুলনা করা একটি পুরোনো ওয়াজের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সংগঠন তার বিরুদ্ধে নিন্দা, মানববন্ধন ও মিছিল করে। বিতর্কের পর এক ভিডিও বার্তায় আমির হামজা কোকোকে নিয়ে দেওয়া মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে দাবি করেন, বক্তব্যটি ২০২৩ সালের একটি পুরোনো ওয়াজ থেকে কাটাছাঁট করে নির্বাচনী সময়ে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।