× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

সারা দেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই : পানিসম্পদমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:১২ পিএম

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী বলেছেন, সারা দেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই, আর লক্ষ্মীপুরে তো নেই-ই।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিন দিনের সফরে তিনি বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে আসেন। সকালে সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এ সময় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। তিনি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব।

মন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন। রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। সদর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেও নজর রাখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন।

লক্ষ্মীপুরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলের আওতায় ভুলুয়া নদী খনন ও রহমতখালী খাল পুনর্খননের একটি নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা গেলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

তিনি আরও বলেন, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড়ে ভাঙন রোধে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার (ফিজিবিলিটি স্টাডি) মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি ১৮০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এর আওতায় লক্ষ্মীপুরও থাকবে।

মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত ও অবহেলিত লক্ষ্মীপুরকে নতুনভাবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। নির্বাচনী গণসংযোগে মানুষের দাবি-দাওয়া—রাস্তা, জলাবদ্ধতা ও উন্নয়ন—বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।

সার্কিট হাউসে মন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহসভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী এবং লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাছানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ।

Link copied!