লক্ষ্মীপুরে ডাকাতিকালে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার বিক্রির টাকাসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. আল আমিন (২৩) ও মো. শাহীন (২৪)। তারা পেশাদার ডাকাত ও ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আসামিরা পেশাদার ডাকাত এবং ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে অন্যান্য অজ্ঞাতনামা আসামিকে শনাক্তসহ গ্রেপ্তার করা হয়। লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তার আল আমিন ও শাহীন ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকায় দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
জানা গেছে, আল আমিন সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের মধ্যম চরমনসা গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে। তাকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) গভীর রাতে চরমনসা গ্রামে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যমতে, একই রাতে শাহীনকে রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের সবুজ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি একই এলাকার নুর আজমের ছেলে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পুলিশ জানায়, ৯ মার্চ রাতে সদর উপজেলার কুশাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি একতলা ভবনে ঢুকে ৭-৮ জন ডাকাত ২৯ ভরি ৬ আনা স্বর্ণালংকার এবং নগদ ১ লাখ টাকা ও ২২ হাজার টাকার একটি মোবাইলফোন লুট করে নিয়ে যায়। লুণ্ঠিত স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৫৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার থানায় মামলা করেন।
পরে জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেকের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর তত্ত্বাবধানে ১৬ মার্চ চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে ২ জন ডাকাত ও লুণ্ঠিত স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়ে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে প্রায় ১০ ভরি ৫ আনা স্বর্ণ এবং ৩ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে একই সূত্রে মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার চরমনসা গ্রাম থেকে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী শাহীনকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আল আমিনের কাছ থেকে স্বর্ণ বিক্রির ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং শাহীনের কাছ থেকে ১ হাজার ৮৫০ টাকা জব্দ করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন