× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম

বিয়েবাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম

বিয়েবাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বরপক্ষের সঙ্গে কনেপক্ষের সংঘর্ষ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বিয়েবাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বরপক্ষের সঙ্গে কনেপক্ষের সংঘর্ষ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরে বিয়েবাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বরপক্ষের সঙ্গে কনেপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৫ এপ্রি) দুপুরে টুমচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাড়ির পাশে মো. হারুনের বাড়িত এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ইব্রাহিম খলিল, মো. অনিক, মেহেদী হাসান আনন্দ, মো. রানা, মো. ইয়ামিন, মো. সামজিদ ও মো. শা আলমসহ অন্তত ৮ জন। তারা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) হারুনের ছেলে ফারুক হোসেনের সঙ্গে ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ছামিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। শনিবার বরপক্ষের বাড়িতে খাবারের আয়োজন ছিল৷ কনেপক্ষের লোকজন দুপুরে বরের বাড়িতে আসে। এ সময় খাওয়ার টেবিলে বসার ব্যবস্থা নিয়ে দুপক্ষের সঙ্গে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এর জের ধরেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কনেপক্ষের লোকজন অভিযোগ করেন, খেতে বসার সময় বরপক্ষের কিছু লোক চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে কনেপক্ষের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, 'আমরা কি আল্লাহর উছিলায় খেতে আসছি'? এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রথমে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে তাদের (বরপক্ষ) লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে কনেপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মাইক্রোবাসও ভাঙচুর করা হয়।

ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, খাওয়ার টেবিলে বসতে গেলে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যেই মারামারি শুরু হয়।

তবে এ ব্যাপারে বরপক্ষের কেউই কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। এ জন্য তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জয়দেব নন্দী জানান, আহত অবস্থায় ৬ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

সদর মডেল থানার এসআই মো. শাহিন বলেন, খবর পেয়ে হাসতাপাল ও পরে ঘটনাস্থল গিয়েছি। দুপক্ষের সঙ্গেই কথা বলেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!