× UCB Sticker Card
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ১১:১১ এএম

রামগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যা করে হাসপাতালে রেখে পালাল স্বামী

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২৬, ১১:১১ এএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ




লক্ষ্মীপুরর রামঞ্জের এক গৃহবধূর মরদেহ রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রেখে পালিয়ে যায় তার স্বামী। অভিযোগ রয়েছে স্বামীর নির্যাতনের কারণে তার মৃত্যু হয়। এ জন্যই মরদেহ মর্গে ফেলে স্বামী হাফিজ মোল্লা পালিয়ে যান।

নিহত গৃহবধূ সামিয়া আক্তার (২৭) রামগঞ্জ উপজেলার ভাদুর ইউনিয়নের জয়নগর বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। 

শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ এনে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ২টার দিকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামিয়া মারা যান। পরে তার স্বামী হাফিজ মোল্লা হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান। এতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মরদেহ মর্গে রেখে দেয়। খবর পেয়ে সামিয়ার স্বজনরা হাসপাতালের মর্গ থেকে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান। 

অভিযুক্ত হাফিজও জয়নগর এলাকার উত্তর গ্রাম মাইজের বাড়ির সিরাজ মোল্লার ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১২ বছর আগে সামিয়াকে বাড়ি থেকে উঠিয়ে নিয়ে বিয়ে করেন হাফিজ। তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের সংসারে কলহ লেগে ছিল। তাদের সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। সামিয়া ছাড়াও হাফিজের আরও দুই স্ত্রী আছে। 
স্থানীয়রা জানায়, হাফিজ মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে মাদক ও অস্ত্র আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। 

নিহত সামিয়ার ছোট ভাই মো. হাসান বলেন, ১৬ জুন আমার বোনকে হাফিজ পিটিয়ে আহত করে। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আমার বোন মারা যায়। তার মৃত্যুর খবর জানতে পেরেই মরদেহ মর্গে রেখে হাফিজ কৌশলে পালিয়ে যান। 
হাসান আরও বলেন, ঘটনাটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাকে অবহিত করে। পুলিশ এসে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। সামিয়ার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। 

নিহত সামিয়ার বাবা দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার মেয়েটা খুব ভালো ছিল। বিয়ের পর থেকেই তার ওপর নানামুখী নির্যাতন চালিয়ে আসছিল হাফিজ। নির্যাতনের ঘটনায় ২৫ জুন রামগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলাম। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারী ঘাতক হাফিজের ফাঁসি চাই। তার কারণে আমার দুই নাতি ও এক নাতনি মা হারা হয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, ভিকটিমের বাবা থানায় আগেই একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ  ছাড়া রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা থেকে আমরা একটি চিঠি পেয়েছি। যেখানে একজন নারী বিষক্রিয়ায় মারা গেছেন মর্মে সুরতহাল ও পোস্টমর্টেম করার কথা উল্লেখ রয়েছে। আমরা শেরেবাংলা নগর থানাকে সুরতহাল রিপোর্টসহ সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। সেই প্রতিবেদন পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!