× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হাসানুজ্জামান হাসান, (কালীগঞ্জ) লালমনিরহাট

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:৫১ এএম

আঞ্চলিক ভাষা রক্ষায় গবেষণা করা হবে : দুলু

হাসানুজ্জামান হাসান, (কালীগঞ্জ) লালমনিরহাট

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১০:৫১ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত আঞ্চলিক ভাষাগুলো সংরক্ষণ ও বিকাশে গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেওয়া হবে। ভাষাগত মিশ্রণের ফলে যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি তৈরি হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রামাণ্য নথি তৈরি করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিটে লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে নানা ধরনের আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ নিজেদের ভাষায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব ভাষায় নানা সংমিশ্রণ ঘটেছে। ভাষাগত মিশ্রণের কারণে যে পরিবর্তন বা বিকৃতি তৈরি হয়েছে, তা গবেষণার মাধ্যমে চিহ্নিত করতে হবে। আমরা সে উদ্যোগ নেব।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের লোকসংগীতের ভেতর দিয়েই বহু আঞ্চলিক ভাষা আজও টিকে আছে। জারি, সারি, মুর্শিদি, ভাটিয়ালি ও ভাওয়াইয়া গানে আঞ্চলিক ভাষার স্বতন্ত্র রূপ ফুটে ওঠে। এসব সংগীতধারাই আমাদের ভাষা-ঐতিহ্যের জীবন্ত দলিল।’

বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণের বিষয়েও সরকারের অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে নানা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। প্রত্যেকের নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি রয়েছে। এসব ভাষা যাতে হারিয়ে না যায় এবং তারা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে নিজ ভাষা ব্যবহার করতে পারেন, সে দায়িত্ব সরকার নেবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশ থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে—অনেক প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়েছে, অনেক গাছ হারিয়ে গেছে। আমরা চাই না আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্যও হারিয়ে যাক। বাংলা ভাষার কৃষ্টি-কালচার আমাদের জাতীয় পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

স্বাধীনতার চেতনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা স্বাধীনতার মূল চেতনাকে ধারণ ও লালন করি। স্বাধীনতার স্মৃতিচিহ্ন ও ইতিহাস সংরক্ষণ আমাদের দায়িত্ব। ৫২, ৭১, ৯০ এবং ২৪—প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আমরা ধারণ করি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!