মানিকগঞ্জ-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা বলেছেন, দলের হাইকমান্ড আমাকে নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষেধ করেনি, বরং প্রতিপক্ষের লোকজন আমার গায়ে হাত তুলেছে, অপমান করেছে এবং টাকা দিয়ে ‘বসিয়ে দেওয়া হয়েছে’ এমন কুৎসা রটিয়েছে। এখন আর পিছিয়ে আসার সুযোগ নেই। পিছিয়ে গেলে জনগণ আমাকে বইমান বলবে। আমি জনগণের প্রার্থী। জনগণই আমাকে বলেছে ‘আপনি না দাঁড়ালে আমরা অন্য মার্কায় বা জামায়াতে ভোট দেব।’ বিএনপির ধানের শীষকে রক্ষা করতেই আমি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন আতাউর রহমান আতা।
তিনি বলেন, ‘আমি আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি এবং নির্বাচনের মাঠে আছি। ইনশাল্লাহ শেষ পর্যন্ত মাঠেই থাকব। জনগণের ভোটই আমার বিজয় নিশ্চিত করবে।’
তিনি আরও জানান, ‘আপিলের মাধ্যমে আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং আমি প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছি। তবে এরপরও আমার ওপর হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন বন্ধ হয়নি। সম্প্রতি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর লোকজন গাড়ি নিয়ে এসে আমার বাসা দেখিয়ে গেছে। বিষয়টি আমি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ প্রশাসনকে অবহিত করলে তারা আমাকে আশ্বস্ত করেছে।’
আতাউর রহমান আতা অভিযোগ করে বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ভেতরেই অন্য এক প্রার্থীর লোকজন আমার ওপর হামলা করেছে, যা অনভিপ্রেত ও নিন্দনীয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে হামলাকারীদের আটক করতে পারতেন, কারণ ওই মুহূর্তে তিনিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। কিন্তু তিনি তা করেননি।’
তিনি জানান, ‘হামলার ঘটনার পর আমি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন করেছি। একই সঙ্গে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছি। জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং ভোট নিশ্চিত করতে এটি অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় সাধারণ মানুষ ভোট দিতে ভয় পাবে।’



