ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দিপুর হাত থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া এরশাদ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ১১:২৪ এএম
গ্রেপ্তারকৃত মো. এরশাদ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের ভালুকায় ধর্ম অবমাননার অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মরদেহ আগুন দেওয়ার মামলায় মো. এরশাদ (২৭) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব ও পুলিশ।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ভালুকার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. এরশাদ নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলার সাইদুর রহমানের ছেলে। তিনি ভালুকার ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনার সময় নিহত দিপুর ব্যবহৃত মোবাইল অভিযুক্ত এরশাদ নিজের হেফাজতে নিয়ে নেয়। দিপুকে হত্যায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এরশাদ। তাকে গ্রেপ্তার করে দিপুর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনার পর থেকে এরশাদ পলাতক ছিল। এ ঘটনায় এরশাদসহ মোট ২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গত ১৮ ডিসেম্বর রাতে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দিপু চন্দ্র দাসকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা। পরে তার মরদেহ বিবস্ত্র করে গাছে ঝুলিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দেয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই অপু দাস ১৯ ডিসেম্বর বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে ভালুকা থানায় মামলা দায়ের করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনী এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে জড়িত ২০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত দিপু চন্দ্র দাস জেলার তারাকান্দা উপজেলার মোকামিয়া কান্দা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। দুই বছর ধরে ভালুকার জামিরদিয়া পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস বিডি লিমিটেড কোম্পানিতে কাজ করছিলেন।