ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সংরক্ষিত নারী আসনে সাবেক ছাত্রদল নেত্রীকে সংসদে চায় মহিলা দল  

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০১:০২ এএম
ফারজানা রহমান হুসনা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নবগঠিত সরকারের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে ফারজানা রহমান হুসনাকে দেখতে চান ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর মহিলা দলের নেত্রীরা। তিনি ময়মনসিংহ মহানগর মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সাবেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক।

নতুন সরকারের শপথের পর সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে আলোচনা শুরু হলে ময়মনসিংহে প্রথমেই ফারজানা রহমান হুসনার নাম উঠে আসে বলে জানিয়েছেন দলীয় নেত্রীরা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ছাত্রজীবনে তিনি অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৯৭ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হন। ১৯৯৯ সালে দক্ষিণ জেলা বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে একই বছর শহর মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন।

পরে ২০০৮ সালে দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২০১১ সালে অবিভক্ত জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক হন। এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় মহিলা দলের শিশু বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ফারজানা রহমান হুসনার স্বামী বজলুর রহমান তুহিন ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় অবিভক্ত ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং একাধিকবার কারাবরণ করেন।

দলীয় নেত্রীরা জানান, ২০০৯ সালে হরতাল-অবরোধ চলাকালে পিকেটিংয়ের সময় ফারজানা রহমান হুসনা গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় দুই মাস কারাগারে ছিলেন। ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাজিরাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বকশীবাজার এলাকা থেকে তাকে আবার গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া হরতাল চলাকালে বিভিন্ন ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়।

ময়মনসিংহ মহানগর মহিলা দলের সহসভাপতি আতিয়া ফাইরুজ মলি বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে রাজনীতির মাঠে নারীদের অংশগ্রহণ ছিল খুবই কম। সে সময় হুসনা তাদের সংগঠিত করেছেন এবং নিয়মিত কর্মসূচিতে যুক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, দলীয় আন্দোলনে মামলা-হামলা ও কারাবরণের ত্যাগের মূল্যায়নে ফারজানা রহমান হুসনা সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য দাবিদার।

এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে জেলা মহিলা দল নেত্রী রিমা আক্তার বলেন, আমরা জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে ফারজানা রহমান হুসনাকে দেখতে চাই। দলের হাইকমান্ড অতীত আন্দোলন-সংগ্রামে তার ভূমিকা মূল্যায়ন করবে বলে আমরা আশা করি।