ঢাকা সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

শতাধিক অবৈধ দোকান-স্থাপনা উচ্ছেদ, প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহ নগরীতে শতাধিক অবৈধ দোকান-স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবাদে দুই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বেলা ৩টার দিকে ঢাকা বাইপাস এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন জেলা মোটর মেকানিক সমিতি ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা। পরে ময়মননিংহ সিটির প্রশাসক রুকুনোজ্জামান সরকার রোকন বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিলে শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেয়।

সূত্র জানায়, মাসকান্দা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ভেতরে একটি চক্র অবৈধভাবে অন্তত শতাধিক দোকান নির্মাণ করে জায়গা দখল করে রেখেছিল। এ ছাড়া মাসকান্দা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশেও বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা গড়ে তোলা হয়। দুপুর সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হওয়া অভিযানে খননযন্ত্র ব্যবহার করে কংক্রিটের অবৈধ স্থাপনাগুলো ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

এসময় জেলা মোটর মেকানিক সমিতি ইউনিয়নের কার্যালয়ের একাংশ গুড়িয়ে দেয়া হয়। এর প্রতিবাদে জেলা মোটর মেকানিক সমিতি ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা ঢাকা বাইপাস এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে দুই ঘণ্টা ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ ছিল।

জেলা মোটর মেকানিক সমিতি ইউনিয়নের সাবেক সহ-সভাপতি জুলহাস উদ্দিন বলেন, কোন নোটিস ছাড়াই আমাদের সমিতির কার্যালয়ের একাংশ গুড়িয়ে দিয়েছে সিটি কর্পোরেশন। এর প্রতিবাদে আমরা ঢাকা বাইপাস এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করি। এতে দুই ঘণ্টা ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ ছিল। পরে মসিক প্রশাসক বিষয়টি দেখার আশ্বাস দিলে আমরা অবরোধ তুলে নেই।

এ বিষয়ে জেলা ট্রাফিক ইন্সপেক্টর গোলাম মওলা বলেন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রতিবাদে জেলা মোটর মেকানিক সমিতি ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও শ্রমিকরা ঢাকা বাইপাস এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫টার দিকে সড়ক অবরোধ তুলে নিয়েছে। যদি বেশি বাড়াবাড়ি করে, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মসিক প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন বলেন, বাসস্ট্যান্ডে বাস রাখার জায়গা না থাকলেও ভেতরে অবৈধভাবে দখল করে রাখা হয়েছিল। এসব স্থাপনার কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই। তাই সেগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।