× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

এক পায়ে ভর করে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখছেন মেঘলা

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ৫, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

অদম্য ইচ্ছা আর আগ্রহ থাকলেও পড়ালেখার স্বপ্ন পূরণে দারিদ্র্য বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রতিবন্ধী মেঘলা খাতুনের। এক পায়ের উপর ভর করেই সে এসএসসি পাস করেছে। এখন লাফিয়ে লাফিয়ে কলেজে যেতে হচ্ছে তাকে।

জন্মগতভাবেই তার বাম পা ছোট, চিকন এবং অচল। এই পায়ে চলতে পারে না সে। এক পায়ের উপর ভর করেই এখন তার পথচলা।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বাঁখুয়া গ্রামের দিনমজুর আমির হোসেনের মেয়ে মেঘলা। বর্তমানে উল্লাপাড়া হামিদা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রী। এক পায়ের উপর দাঁড়িয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে পথ পেরিয়ে কলেজে আসে মেঘলা।

২০২৫ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ৪.৮৩ পেয়ে পাস করে সে একই প্রতিষ্ঠানের কলেজ শাখায় ভর্তি হয়। কলেজ থেকে তার বাড়ির দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। তবে আর্থিক সংকটের কারণে নিয়মিত যাতায়াত করতে পারে না মেঘলা, ফলে তার পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে।

মেঘলার বাবা আমির হোসেন বলেন, চারজনের সংসার আমার। দিনমজুরি করে যা আয় করি, তা দিয়েই সংসার চলে না। মেয়ের পড়ালেখা চালাবো কিভাবে? যাতায়াতের খরচও বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

প্রতিবেশীরা জানান, মেঘলার মতো মেধাবী ও সদালাপী মেয়ের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন আজ দারিদ্র্য ও প্রতিবন্ধকতায় থমকে যাচ্ছে।

মেঘলা খাতুন জানায়, সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে ভবিষ্যতে ভালো মানুষ হয়ে দেশের সেবা করতে চায়। তবে দারিদ্র্য এখন তার শিক্ষা জীবনে বড় বাধা।

হামিদা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, মেঘলা অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী। তাকে মাধ্যমিক থেকেই বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং তার ক্লাস নিচতলায় দেওয়া হচ্ছে যেন চলাচলে সমস্যা না হয়।

পরিবেশকর্মী মামুন বিশ্বাস জানান, মেঘলার মতো অনেক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ানো দরকার। তিনি তার জন্য ইলেকট্রিক স্কুটিসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!