× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

সেতুর অভাবে ৯ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১০, ২০২৬, ০১:৩৯ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে একটি সেতুর অভাবে কমপক্ষে ৯টি গ্রামের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজারো পথচারী ও স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি সংশ্লিষ্ট দপ্তর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাগরপুর উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের পংবাইজোড়া–দেইল্লা সড়কে ধলেশ্বরী নদীর শাখা খালের ওপর প্রায় পাঁচ বছর আগে স্থানীয়রা স্বেচ্ছাশ্রমে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। বর্তমানে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মিত নড়বড়ে এই সাঁকোটিই ৯ গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা।

সরেজমিনে জানা যায়, প্রায় ২০ বছর আগে ধলেশ্বরী নদী এই স্থান দিয়ে প্রবাহিত হলেও পরে নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে পূর্বদিকে সরে যায়। এখানে রয়ে যায় সরু খালের মতো শাখা নদী। নদীর পাশে জেগে ওঠা চরে ধীরে ধীরে বসতি গড়ে উঠলেও সেতুর অভাবে এখনো চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

মোকনা ইউনিয়নের লাড়ু গ্রামের এ অংশে নির্মিত সাঁকো দিয়ে এখন ২ নম্বর ওয়ার্ডসহ মোট ৭টি গ্রামের মানুষ উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। পংবাইজোড়া, লাড়ুগ্রাম, দেইল্লা, স্বল্প লাড়ুগ্রাম, চৌহালীপাড়া, পংবড়টিয়া ও ঘুণি গ্রামের স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ প্রতিদিন এ পথে চলাচল করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে নৌকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন ও কেনাবেচায়ও চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. বিল্লাল মিয়া (৪২) ও মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫) বলেন, “একটি সেতুর অভাবে আমরা ২৫ বছর ধরে দুর্ভোগে আছি। সব এলাকার উন্নয়ন হলেও আমাদের এলাকায় কিছুই হয়নি। আমরা শুধু সেতুর অভাবে পিছিয়ে আছি।”

ইউপি সদস্য রিয়াজ উদ্দিন খান রাজা বলেন, “পাঁচ বছর আগে স্থানীয়ভাবে একটি বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। এরপর থেকেই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। ভোটের সময় অনেকেই আশ্বাস দিলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। তবে ইতিমধ্যে ৮০ মিটার দীর্ঘ একটি ব্রিজ ও রাস্তা উন্নয়নের জন্য এমপি রবিউল আউয়াল লাভলু ডিও লেটার দিয়েছেন।”

মো. শাহজাহান মিয়া (৫৬) বলেন, “বর্ষায় আমাদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। গুরুতর রোগী, প্রসূতি নারীসহ কাউকে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া সম্ভব হয় না। সামান্য বৃষ্টিতেই খালে পানি জমে যায়। এই সাঁকোর দুই পাশে শত শত বিঘা আবাদি জমি রয়েছে।”

মোকনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “সেতু নির্মাণের জন্য একাধিক প্রস্তাবনা ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পংবাইজোড়া–দেইল্লা সড়কে সেতু নির্মাণ এখন এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি।”

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!