× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

পোশাক কারখানার স্টোররুমে মিলল কর্মকর্তার ঝুলন্ত মরদেহ

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২৬, ০৩:২০ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অ্যাসরোটেক্স গ্রুপের একটি পোশাক কারখানার ভেতরে ঝুলন্ত অবস্থায় এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে এনায়েতনগর ইউনিয়নের বাড়ৈভোগ এলাকায় অবস্থিত ফারিহা নিট টেক্স লিমিটেড কারখানার স্টোররুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, ‘হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার’ অভিযোগ তুলে সেখানে বিক্ষোভ করেন কারখানাটির শ্রমিকরা। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

নিহতের স্ত্রীর দাবি, তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। এ মৃত্যু নিয়ে তাদের সন্দেহ রয়েছে। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

নিহতের নাম ইদ্রিস আলী (৪৩)। তিনি সোনারগাঁ উপজেলার গোয়ালদী গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে এবং কারখানাটির সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে কর্মরত ছিলেন।

কারখানাটির সিকিউরিটি ম্যানেজার মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, সকাল ১০টার দিকে ইদ্রিসের মরদেহটি দেখতে পান কারখানার একজন শ্রমিক। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় ছুটি হওয়ার পর তার গাড়িতে করে বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু সহকর্মীরা তাকে ফোন দিয়েও পাননি। পরে তাকে ছাড়াই গাড়ি ছেড়ে যায়। আজ তার লাশ পাওয়া গেল। ইদ্রিসের মরদেহ যে স্টোররুমে মিলেছে, সেটি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বেও ছিলেন তিনি। ওই ঘরটির লাইট বন্ধ ছিল।’

নিহতের স্ত্রী হাফিজা আক্তার বলেন, বিকেলে ছুটি হওয়ার পর সন্ধ্যায় তিনি সাধারণত কারখানার গাড়িতেই বাড়ি ফিরতেন। সোমবার না ফেরায় তার মোবাইলে কল দিলে কেউ রিসিভ করেননি। পরে বিষয়টি কারখানার কর্মকর্তাদের জানালে তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘ইদ্রিস কারখানায় নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা রাতেই পুলিশকে জানিয়েছিলাম। সকালে শুনি স্টোররুমে লাশ পাওয়া গেছে। উনি নামাজ-কালাম পড়তেন, ভালো মেজাজের মানুষ ছিলেন। তিনি আত্মহত্যা করবেন এমন কোনো কারণ নেই। আমাদের এ মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে।’

এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান নিহতের স্ত্রী।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহবুব বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠাতে গেলে কারখানাটির শ্রমিক ও সহকর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আইনি কার্যক্রম শুরু করা হয়।

এদিকে, ‘হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখার’ অভিযোগ তুলে কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবি জানান।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!