× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

দক্ষিণ কোরিয়ায় নিহত কালাইয়ের শিক্ষার্থীর মরদেহ বাড়িতে পৌঁছেছে

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম

হাসিবুর রহমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

হাসিবুর রহমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দক্ষিণ কোরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমানের (২৩) মরদেহ নিজ বাড়িতে পৌঁছেছে। মরদেহ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে লাশবাহী গাড়িটি কালাই উপজেলার মহেশপুর গ্রামে পৌঁছায়। এ সময় গ্রামের মানুষ শেষবারের মতো তাকে একনজর দেখতে ভিড় করেন। শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পুরো এলাকা।

নিহত হাসিবুর রহমান মহেশপুর গ্রামের নিজাবুল ইসলাম হিরোর বড় ছেলে। তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সেও ইয়াং’ নামের একটি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে মধ্যরাতে পার্ট-টাইম কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন হাসিবুর। তিনি একটি ইলেকট্রিক স্কুটার চালিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় দ্রুতগতির একটি গাড়ি তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ মে সকালে তিনি মারা যান।

এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানান, হাসিবুর রহমান ছিলেন অত্যন্ত ভদ্র, মেধাবী ও পরিশ্রমী একজন তরুণ। তাকে ঘিরে পরিবারের ছিল অনেক স্বপ্ন। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুজাউল ইসলাম বলেন, হাসিবুর রহমান ছিল আমাদের গ্রামের গর্ব। ভদ্র ও স্বপ্নবাজ একটি ছেলে ছিল সে। তার এমন নির্মম মৃত্যু মেনে নেওয়া খুবই কষ্টের। পুরো গ্রাম যেন আজ নিস্তব্ধ হয়ে গেছে। আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

নিহতের বাবা নিজাবুল ইসলাম হিরো কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলেটা ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ও ভদ্র ছিল। অনেক কষ্ট করে তাকে বিদেশে পড়াশোনার জন্য পাঠিয়েছিলাম, যেন একদিন সে পরিবারের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে। কিন্তু এমন নিষ্ঠুর পরিণতি হবে, কখনো কল্পনাও করিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!