ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভাসানচরে ২০ যাত্রী নিয়ে ট্রলারডুবি

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১০:১১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

নোয়াখালীর হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে ২০ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে তাৎক্ষণিক উদ্ধার তৎপরতায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

রোববার (০৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নোয়াখালী থেকে ভাসানচরগামী ট্রলারটি ভাসানচরের তীরের কাছাকাছি পৌঁছালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ট্রলারটিতে ২০ জন যাত্রী ছাড়াও আশিক মাঝি ও তার দুই সহকারী ছিলেন। সকাল ১১টায় করিমবাজার ঘাট থেকে ট্রলারটি ছাড়ার কথা থাকলেও দুপুর ২টায় ভাসানচরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ট্রলারটি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাসানচরের কাছাকাছি এসে ঢেউয়ের তোড়ে ট্রলারটি উল্টে যায় এবং যাত্রী ও মালামালসহ ডুবে যায়।

খবর পেয়ে ভাসানচর থেকে স্পিডবোট ও অন্যান্য ট্রলারের সহায়তায় যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। তবে মালামালসহ ট্রলারটি এখনো ঘটনাস্থলে ডুবে রয়েছে।

ট্রলারের এক যাত্রী বলেন, ‘হঠাৎ ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়। আমরা সবাই ভেসে যাই। আগে এখানে সরকারি একটি সি-ট্রাক ছিল। ৫ আগস্টের পর সেটি সরিয়ে নেওয়ার পর থেকেই একাধিক ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটছে। এখানে নিরাপদ সি-ট্রাক না দিলে ভবিষ্যতে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

করিম বাজারের এক বাসিন্দা বলেন, ট্রলারটির মালামালসহ ২০ যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে। দুর্ঘটনার পর সবাইকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ট্রলারে থাকা লাখ লাখ টাকার মালামাল পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ভাসানচর–নোয়াখালী নৌপথে চলাচলের জন্য একটি নিরাপদ সরকারি সি-ট্রাক অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা আরও বাড়বে বলে আমরা আশঙ্কা করছি।

ভাসানচর থানার ওসি রফিক উল হাসান দুর্ঘটনা ও উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ট্রলারটিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও বিভিন্ন এনজিওকর্মীসহ মোট ২৩ জন ছিলেন। ২০ জন যাত্রী, একজন মাঝি ও দুই সহকারী। সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। কোনো নিখোঁজ নেই। ট্রলারে নারী যাত্রী বা রোহিঙ্গা কেউ ছিলেন না।