× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৪:১৪ পিএম

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ঈশ্বরদীতে। ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পাবনার ঈশ্বরদীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে পাবনাসহ উত্তরের জেলাগুলো। রাত থেকে পরদিন দুপুর পর্যন্ত চারদিক প্রচণ্ড কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি আজ সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। এর আগে গতকাল রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন শনিবার ছিল ৯ ডিগ্রি এবং শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ ও উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের কারণে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। শীতের কারণে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। সকাল থেকে দেখা মিলছে না সূর্যের, ফলে ঠিকমতো কাজে যেতে পারছেন না তারা। দুপুরের পর কুয়াশা কেটে রোদ উঠলেও রোদের তাপ না থাকায় শীত কমছে না। ছিন্নমূল ও দরিদ্র মানুষজন শীতবস্ত্রের অভাবে চরম কষ্টে রয়েছেন। শৈত্যপ্রবাহের কারণে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা।

শীতের কারণে হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদের মধ্যে শিশু ও বয়োবৃদ্ধের সংখ্যাই বেশি। এছাড়া গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। রাতে ও সকালে আগুন জ্বালিয়ে গবাদিপশুর শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন তারা। পৌর শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা গেছে, স্থবির জনজীবনে সবচেয়ে বেশি বিপাকে রয়েছেন ভাসমান, ছিন্নমূল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। শীত নিবারণে বিতরণ থেকে পাওয়া একটি কম্বলই যেন ছিন্নমূল মানুষের একমাত্র সম্বল।

রিকশাচালক শুকুর আলী বলেন, সকাল থেকে তীব্র শীতের মধ্যে বের হয়েছি। দুপুর পেরিয়ে গেলেও একশ টাকা ভাড়াও পাইনি।

স্টেশন রোডের ভ্রাম্যমাণ দোকানি মো. জুলমত শেখ বলেন, টানা শৈত্যপ্রবাহে শীতের পরিমাণ এতটাই বেড়েছে যে মানুষ নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না। বেচাকেনা একেবারেই নেই, কীভাবে চলব বুঝে উঠতে পারছি না।

পৌর মার্কেটের সবজি ব্যবসায়ী জুয়েল বিশ্বাস বলেন, হাটে গিয়ে ভোরবেলায় সবজি কিনে এনে এখানে বসে বিক্রি করতে হয়। দু-তিন দিন ধরে অতিরিক্ত শীত ও কুয়াশার কারণে বেচাকেনা নেই। তাই একটু চিন্তায় আছি।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন বলেন, শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ বেড়েছে। তাপমাত্রা আরও কমে শীতের পরিমাণ বাড়তে পারে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!