ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পাবনায় দাদি-নাতনিকে হত্যার ঘটনায় মামলা, তদন্তে ডিবি

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ঈশ্বরদী থানা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত বৃদ্ধা দাদি সুফিয়া বেগমের মেয়ে মর্জিনা খাতুন।

ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মামলায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ওসি জানান, ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর। তাই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশকে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ঘটনার পরপরই একই এলাকার রাব্বি মন্ডল ও শরিফুল ইসলাম নামে দুজনকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। আটককৃত রাব্বি মন্ডল ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে এবং শরিফুল ইসলাম একই এলাকার মফেজ্জল হোসেনের ছেলে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদে জোড়া হত্যার ঘটনার সঙ্গে আটককৃতদের মধ্যে একজনের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। খুব শিগগির মামলার রহস্য উদ্ঘাটন হবে।

এর আগে, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের কোনো এক সময় ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামে দাদি সুফিয়া বেগমকে হত্যার পর নাতনি জামিলাকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর বাড়ির পাশে গম খেতে হত্যা করে। 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাড়ির উঠানে দাদি সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। আর বাড়ি থেকে কিছু দূরের গম খেতে বিবস্ত্র অবস্থায় নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ভবনীপুর উত্তরপাড়ায় দাদি ও নাতনি একই বাড়িতে থাকতেন।

ঘটনার পর শনিবার দুপুরে রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার শামীম হোসেন ও পাবনার পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সে সময় তারা খুব দ্রুত সময়ে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের আশ্বাস দেন।