× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ১০:৫৭ এএম

মধ্য রমজানেও ফলের বাজার চড়া

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৬, ১০:৫৭ এএম

মধ্যে রমজানেও ফলের বাজার চড়া। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মধ্যে রমজানেও ফলের বাজার চড়া। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাজারে সারা বছরই দেশি-বিদেশি নানা ধরনের ফল থাকে। পবিত্র রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে পুষ্টিকর ফলের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই রোজার আগেও যে ফল সাধারণ মানুষের নাগালে ছিল, চাহিদাকে পুঁজি করে কয়েকদিনের ব্যবধানে তার দাম বেড়েছে কয়েকগুণ। খুচরা বাজারে ইফতারের প্রধান উপকরণ খেজুর থেকে শুরু করে আঙুর, আনারস বা আপেল-সবকিছুর দামই আকাশচুম্বী। ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিবারের মতো এবারও ফলের বাড়তি চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে অতি মুনাফা লুটছেন ফল ব্যবসায়ীরা।

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সরেজমিন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার বিভিন্ন ফলের বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি ফলের দাম কেজিতে বা ডজনে ৫০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

ইফতারের অন্যতম অনুষঙ্গ কলার দাম বাড়ছে লাফিয়ে। রমজানে মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এক কেজি আঙুর বা আপেল কেনা এখন রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মৌসুমি ও দেশি ফলের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। বাজারে নতুন আসা তরমুজ পিস হিসেবে নয়; বরং ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ টাকা হালির কলা এখন ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিদেশি ফলের বাজার আরও চড়া। ভালো মানের প্রতি কেজি আপেল ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি, যা আগে ছিল ৩০০ টাকার মধ্যে। সবুজ আঙুর ৪০০ থেকে ৪২০ টাকা এবং কালো আঙুর বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা কেজি দরে। ভালো মানের মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৩৫০ কেজি দরে এবং ভালো মানের ও বড় আকারের প্রতি পিছ আনারস বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। দেশি বেলের দাম ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় ওঠানামা করছে। প্রতি বছর মধ্যে রমজানে বিভিন্ন ফলের দাম কমলেও এবার রোজার দুই সপ্তাহ পার হলেও বাড়তি দাম খুব একটা কমেনি।

ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাস্টার পাড়া এলাকার বাসিন্দা আলহাজ শেখ আব্দুস সামাদ মাস্টার নামের এক ফল ক্রেতা জানান, পবিত্র রমজানে সব প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়া যেন এক অনিবার্য রেওয়াজ। এবারও সে একই প্রবণতা দেখা গেছে বাজারগুলোতে। রোজার অজুহাতে হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধির কোনো কারণ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। পরিবারের সবাই রোজা রাখছেন বলেই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে। বাজারে প্রচুর সরবরাহ থাকলেও বিভিন্ন অজুহাতে বিক্রেতারা চড়া দাম আদায় করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দামের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ফল ব্যবসায়ীরা জানান, পবিত্র রমজান মাসে ফলের চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়, কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি। ইফতারে খেজুরের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, এক মাসে সারা বছরের তুলনায় অনেক বেশি বিক্রি হয়। পাইকারিতে যেমন দামে কেনা হয়, সীমিত লাভে তেমন দামেই বিক্রি করতে হয় তাদের। আড়ত থেকে দাম না কমলে খুচরা বাজারে দাম কমার সম্ভাবনা খুবই কম বলে জানান তারা।

জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর পাবনার সহকারী পরিচালক মাহমুদ হাসান রনি রূপালী বাংলাদেশকে জানান, পবিত্র রমজান মাস এলে চাহিদা বাড়ায় খুচরা বিক্রেতারা দাম বাড়িয়ে দেন। ভোক্তাদের কথা বিবেচনা করে এ বছর যাতে অতিরিক্ত বাড়াতে না পারেন, সে জন্য প্রথম রমজান থেকে সব পর্যায়ে বাজার তদারকি করা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!