পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা আবারও মৃদু শৈত্যপ্রবাহের পর্যায়ে নেমে এসেছে। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত এলাকাটি ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকলেও সূর্য ওঠার পর ঝলমলে রোদের দেখা মিলেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাস ও হালকা কুয়াশার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন পঞ্চগড়ের খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে বিভিন্ন সড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। কিছু কিছু যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা পড়লেও জীবিকার তাগিদে ভোর সকালেই কাজে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
এদিকে, সকাল বেলা সূর্যের দেখা মিললেও কুয়াশার দাপটে তেমন উত্তাপ ছড়াতে পারছে না। কনকনে শীতে ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে, তীব্র শীত আর কুয়াশার কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রতিনিয়ত সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিমেল বাতাস ও কনকনে ঠান্ডার কারণে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। আজ সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আজকের তাপমাত্রা অনুযায়ী তেঁতুলিয়ায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। তবে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন