পটুয়াখালীর দুমকিতে একটি অবৈধ ইটভাটা রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ওয়াপদা বেড়িবাঁধের নকশা পরিবর্তনের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় ৮–১০টি বসতবাড়ি ভাঙ্গনের আশঙ্কায় রয়েছে এবং এতে ২০–২৫টি পরিবার উচ্ছেদের ঝুঁকিতে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
এ ছাড়া বেড়িবাঁধ নির্মাণে বাধা ও অভিযোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে ইটভাটাসংশ্লিষ্টদের হামলায় মিরাজ হাওলাদার, জব্বার হাং, ইতি বেগমসহ অন্তত ছয় জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে দুমকি থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান হামলার শিকার সোহরাব মীরা ও মিরাজ হাওলাদার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, চরগরবদি ও সন্তোষদি মৌজায় ২০২৩ সালে প্রণীত ম্যাপ অনুযায়ী নির্মাণ না করে হঠাৎ করে নকশা পরিবর্তন করে বাড়িঘর উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের নোটিশ বা ভূমি অধিগ্রহণ ছাড়াই ঘর ভাঙার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তারা। ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি, তারা ওই এলাকায় ৩৫-৪০ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন এবং সরকারি খাস জমিতে অবস্থিত একটি অবৈধ ইটভাটাকে রক্ষা করতেই বেড়িবাঁধের নকশা পরিবর্তন করা হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফেমাস ব্রিক্সের মালিক আবদুল কাইউম বলেন, নকশা পরিবর্তনের সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ফরিদা সুলতানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওয়াপদা বেড়িবাঁধের নির্মাণকাজ সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেন।
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব মিয়া জানান, সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য স্থানের মধ্য দিয়েই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন