ঢাকা বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

পবিপ্রবি ও ইন্দোনেশিয়ার নেগারি পাদাং বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) এবং ইন্দোনেশিয়ার নেগারি পাদাং বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএনপি) মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল ৩টায় পবিপ্রবির উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স সেলের উদ্যোগে আয়োজিত এক সেমিনারের শুরুতে এ চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন আরটিসির পরিচালক অধ্যাপক ড. খোকন হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স সেলের পরিচালক ড. হাচিব মোহাম্মদ তুষার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইন্দোনেশিয়ার নেগারি পাদাং বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইউলকিফলি, পবিপ্রবির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং নেগারি পাদাং বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোইন্ডাস্ট্রি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. রেসটি ফেবরিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান ইন্দোনেশিয়ার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে এ সমঝোতা চুক্তি দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। পাশাপাশি পবিপ্রবিকে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে এ চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের শিক্ষা ও গবেষণায় পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বৈশ্বিক নানা সমস্যার সমাধানে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

সমঝোতা চুক্তিতে পবিপ্রবির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং নেগারি পাদাং বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ম্যাথমেটিক্স অ্যান্ড ন্যাচারাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. ইউলকিফলি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, এ চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, একাডেমিক সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্ঞান বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।