রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পুকুর খননে বাধা দেওয়ায় এস্কেভেটর চাকায় চাপা দিয়ে আহমেদ জুবায়ের (২৩) নামে এক তরুণ নিহত হওয়ার ঘটনায় সাত জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে জুবায়েরের বাবা রফিকুল ইসলাম মোহনপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। নিহতের বাড়ি উপজেলার বড় পালশা গ্রামে।
মামলায় সাত জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার আসামিদের মধ্যে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার বাসিন্দা ও এস্কেভেটর চালক আব্দুল হাকিমকে (২৮) বুধবার রাতে ঘটনার পরই গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার দিন, বড় পালশা বিলে পুকুর খননে বাধা দিতে গিয়ে এস্কেভেটর চাকায় পিষ্ট হয়ে আহমেদ জুবায়ের নিহত হন। তার মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্তের পর বৃহস্পতিবার দুপুরে নিকটাত্মীয়দের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সন্ধ্যায় তার দাফন সম্পন্ন হয়। এ সময় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী বলেন, জুবায়ের হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে অন্য আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, মোহনপুরের বড় পালশা গ্রামের বিলে আবাদি জমিতে অবৈধভাবে পুকুর খননের বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এস্কেভেটর চাকায় জুবায়েরকে হত্যা করা হয়। এতে ওই এলাকায় মানুষের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন