× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

পেঁয়াজের বাম্পার ফলনেও হতাশ চাষিরা

রাজশাহী ব্যুরো

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২০, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত রাজশাহীর শ্রমিকরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত রাজশাহীর শ্রমিকরা। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ হয় বাঘা উপজেলায়। এবারও বাঘায় ব্যাপক পরিমাণে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় চাষিরা হতাশ। এতে কৃষকদের উৎপাদন খরচ ওঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও চাষিদের মুখে হাসি নেই।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মার চরে পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। পেঁয়াজ উত্তোলনে শত শত শ্রমিক কাজ করছেন। বর্তমানে ভালো দাম না পাওয়ায় চাষিরা হতাশ। মঙ্গলবার পদ্মার চরের চকরাজাপুর বাজারে পাইকারি হিসেবে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ২৫-৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

পদ্মার মধ্যে পলাশিফতেপুর চরের চাষি রবিউল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পেঁয়াজের যে দাম রয়েছে, তাতে লাভবান হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কারণ বীজ, সার ও কীটনাশক ওষুধের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। চলতি মৌসুমে যারা পেঁয়াজ আবাদ করেছেন, তারা ইতোমধ্যে বিক্রি শুরু করেছেন।

কালিদাসখালী চরের নারী শ্রমিক আমবিয়া বেগম, সুমি আক্তার ও আসমা বেগম বলেন, বেশি লাভের আশায় চাষিরা আগাম জাতের পেঁয়াজ চাষ করেন। চলতি মৌসুমে এই পেঁয়াজ চাষ করে খরচ উঠবে না। অনেককে বিঘাপ্রতি ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে।

চকরাজাপুর চরের পেঁয়াজচাষি বাবলু দেওয়ান বলেন, ভালো দাম পাওয়ার আশায় এ বছর তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছি। ফলন হয়েছে বাম্পার। কিন্তু দাম ভালো পাওয়া যাচ্ছে না। এবার যারা বেশি পেঁয়াজ চাষ করেছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারবেন না।

পদ্মার চরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, এলাকায় ঢ্যামনা ও চারা—এ দুই ধরনের পেঁয়াজ চাষ হয়ে থাকে। চারা পেঁয়াজ দীর্ঘ সময় সংরক্ষণ করা যায়। এ ধরনের পেঁয়াজ বেশি আবাদ হয় উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে।

খায়েরহাট এলাকার পেঁয়াজচাষি সুজন আলী বলেন, পদ্মার চরে এক বছরের জন্য চার বিঘা জমি ১ লাখ ২০ হাজার টাকায় লিজ নিয়ে পেঁয়াজ চাষ করেছি। বীজ, সার ও শ্রমিক বাবদ আরও ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিন্তু বাজারমূল্য ভালো পাচ্ছি না।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, উপজেলায় কমবেশি সর্বত্র পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। উপজেলার দুটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়নের তুলনায় পদ্মার চরাঞ্চলে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে বেশি। উপজেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল সাড়ে তিন হাজার হেক্টর। বাস্তবে চাষ হয়েছে সাড়ে চার হাজার হেক্টর জমিতে। তবে এখনো পুরোপুরি পেঁয়াজ উত্তোলন শেষ হয়নি। আশা করছি, সামনে কৃষকরা পেঁয়াজের ভালো দাম পাবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!